ছয় ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। কিন্তু এই ঋতু যেন বদলে দিয়েছে বাংলার চিরায়ত রূপ। আশ্বিনের এই রূপ যেন হার মানিয়েছে আষাঢ়-শ্রাবণ মাসকেও।দেখে মনে হচ্ছে আশ্বিন নয় এ যেন আষাঢ়-শ্রাবণ মাস চলছে। টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে নিম্নাঞ্চল। পানি জমে জমে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। এত করে চরম বিপাকে পড়ছেন দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষ।

আবহাওয়া অফিসের তথ্য মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগে ৮৩১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে সৈয়দপুরের নীলফামারীতে।
রংপুর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, এই মৌসুমে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এই বৃষ্টিপাত আরও দু’দিন চলমান থাকতে পারে।এই টানা বৃষ্টিতে রংপুর বিভাগের ৮ জেলার বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে জমে জলাব্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। যা মানুষের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। গত শনিবার থেকে টানা বৃষ্টির করণে রাস্তায় মানুষের চলাফেরা অনেক কমে গিয়েছে। মানুষজন কাজ-কর্ম বন্ধ করে ঘরে বসে দিন পার করছে।
রংপুর কৃষি অধিদপ্তর এর উপপরিচালক বলেছেন এই বৃষ্টি ধানের জন্য খুবই উপকারী। কিন্তু এই বৃষ্টি যদি চলমান থাকে তাহলে সবজির ক্ষেতগুলির উপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।
টানা বৃষ্টিতে রংপুর নগরীর কামাল কাছনা, মাহিগঞ্জ এবং নিউ জুম্মাপাড়া। এছাড়ও পূর্ব জুম্মাপাড়া, তাজহাট, বাবুপাড়া, কামারপাড়া, আদর্শপাড়া ও নগর মীরগঞ্জ। এবং শালবন, মিস্ত্রিপাড়া, কলাবাড়ি দর্শনা, মর্ডান মোড় সংলগ্ন বিভিন্ন মহল্লা, মুন্সিপাড়া, হনুমান তলা, মুলাটোল, মেডিকেল পাকার মাথা ও জলকরসহ বিভাগের আট জেলার বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।

