আজ বিশ্ব পর্যটন দিবস। এ দিবস উপলক্ষে নানান ধরনের প্রস্তুতি চলছে । চার দিনব্যাপী রাজধানীতে ‘বাংলাদেশ ফেস্টিভাল’ শুরু হয়েছে, যেখানে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে সাত দিনব্যাপী পর্যটন মেলা ও বিচ কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হবে। এবারের বিশ্ব পর্যটন দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে “‘ট্যুরিজম অ্যান্ড গ্রিন ইনভেস্টমেন্ট’ বা ‘পর্যটনে পরিবেশবান্ধব বিনিয়োগ’”। জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থার উদ্যোগে ১৯৮০ সাল থেকে এই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

রাজধানীতে ‘বাংলাদেশ ফেস্টিভাল’ গত সোমবার বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আবু তাহের মোহাম্মদ জাবের এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বাংলাদেশে হোটেল রিসোর্ট, স্থানীয় খাবারের স্টল এবং আঞ্চলিকভাবে নির্ধারিত ২৯টি এলাকাসহ ১৬০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। সকল প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এই উৎসবে বিভিন্ন দেশের খাবারের সাথে খাঁটি ও ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশী খাবারের প্রদর্শনী করা হয়। এই উৎসবটি অনন্য এবং দেশি এবং বিদেশী খাবার সম্পর্কে জানার এবং উপভোগ করার সুযোগও রয়েছে ।
দেশের ঐতিহ্যবাহী খাবারের মধ্যে জামতলার সাদেক গোল্লা, নরসিংদী এলাকার নকশি পিঠাই, নাটোরের কাঁচাগোল্লা, কুষ্টিয়ার কুলফি, পুরান ঢাকার হাজির বিরিয়ানি, বাকরখানি, মুক্তাগাছার মণ্ডা, চট্টগ্রামের মেজবান, খুলনার চু্ই ঝাল, থাকবে । কুমিল্লাসহ ৬৪ জেলার ৭০টিরও বেশি স্টলে ঐতিহ্যবাহী খাবার তৈরির প্রক্রিয়া দেখা যাবে। এছাড়াও উৎসবে তাঁত ও জামদানি তৈরির প্রক্রিয়া দেখা যাবে।
আমাদের মসলিন ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের ইতিহাস এবং মসলিন তৈরির প্রক্রিয়া উপস্থাপন করা হবে । আমরা সবাই উৎসবে মসলিন দেখার দারুণ সুযোগ পাব।
দর্শনার্থীদের আকর্ষণীয় ট্যুর পরিকল্পনা করতে সাহায্য করবে। আপনি বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, ইতিহাস, ঐতিহ্য, পুরাকীর্তি এবং পর্যটন সম্পদ সম্পর্কে জানতে পারবেন। আপনি প্রতিটি এলাকায় পর্যটন আকর্ষণের ফটোগ্রাফ দেখার সুযোগ আছে.
UN এর সাধারণ পরিষদের সাইডলাইনে বাংলাদেশ বিষয়ক সম্মেলন
