বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠনের মহান বিজয়ে ইরানি জনগণ তাদের আনন্দ প্রকাশ করেছে। ফিলিস্তিনের বিজয় উদযাপনে শনিবার ইরানজুড়ে রাস্তায় নেমেছে তারা। এ উপলক্ষে রাজধানী তেহরানসহ প্রধান শহরগুলোতে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন হয় ।

ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠনগুলো শনিবার সকালে ‘আল-আকসার তুফান’ নামক নজিরবিহীন অভিযান শুরু করে। তারা গাজা উপত্যকা থেকে ইসরাইলের রাজধানী তেল আবিবসহ বিভিন্ন শহর ও অবৈধ ইহুদি বসতি লক্ষ্য করে হাজার হাজার রকেট নিক্ষেপ করে। সেইসঙ্গে গাজা সীমান্ত দিয়ে শত শত ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধা ইসরাইলে ঢুকে পড়েন।

এই সমন্বিত ও সম্মিলিত হামলায় প্রায় ৩০০ ইসরাইলি নিহত ও দেড় হাজারের বেশি ইহুদিবাদী আহত হয়েছে। ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধ যুদ্ধের ইতিহাসে একদিনের হামলায় ইসরাইলের এত বিশাল ক্ষয়ক্ষতি আর কখনও হয়নি। ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধারা বলেছেন, নিরপরাধ ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে দখলদার ইসরাইলের গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের প্রতিশোধ নিতে এ হামলা চালানো হয়েছে।

ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধাদের এ বিজয় উদযাপন করতে ইরানের রাজধানী তেহরানের ফিলিস্তিন স্কয়ারে সমবেত হন হাজার হাজার জনতা। একদল উৎফুল্ল ইরানি নাগরিক এ বিজয়ের আনন্দ ভাগাভাগি করতে তেহরানস্থ ফিলিস্তিন দূতাবাসের সামনেও চলে যান। ইরানি জনতার এই দলে ছিল বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

আপাতত তারা ফিলিস্তিনি পতাকা ও প্রতিরোধ সংগঠনের পতাকা ওড়ানো অব্যাহত রেখেছে। ইরানি জনতা ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধাদের প্রতি তাদের অটল সমর্থন ঘোষণা করে, “ডাউন উইথ আমেরিকা” এবং “ডাউন উইথ ইজরায়েল” স্লোগান দেয়। তারা হামাস ও অন্যান্য প্রতিরোধ সংগঠনকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

তেহরানের আজাদি স্কোয়ার ফিলিস্তিনি পতাকা দিয়ে সজ্জিত করা হয়েছিল এবং ভিডিও ম্যাপিং ব্যবহার করে বিভিন্ন ফিলিস্তিনিপন্থী স্লোগান প্রদর্শন করা হয়।

রাজধানী তেহরানের বিভিন্ন অংশকে শনিবার রাতে বিশেষভাবে আলোকসজ্জিত করা হয়। উৎসবমুখর ইরানি জনতার কারো কারো হতে শহীদ লে. জেনারেল কাসেম সোলায়মানির ছবি শোভা পায়। তাদেরকে একথা বলতে শোনা যায় যে, ফিলিস্তিনিদের আজকের এ বিজয়ে জেনারেল সোলায়মানির বহু বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমের অবদান রয়েছে। বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন

ইরানের অন্যান্য শহরগুলির মধ্যে যেখানে, তেহরান ছাড়াও, বিজয় উদযাপন হবে, আমরা মাশহাদ, ইসফাহান, ইয়াজদ, আরাক, জাঞ্জান, শিরাজ, বুশেহর এবং কেরমান ইত্যাদিি।  এসব শহরের প্রধান চত্বর ছাড়াও মসজিদগুলোতেও বিজয় উদযাপন হয়।

ইসরায়েল-হামাস পাল্টাপাল্টি হামলা, নিহত ৪৮০ জন

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments