বর্তমান বিশ্বকাপে স্বাগতিক ভারতকে সবচেয়ে জনপ্রিয় দল হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো জনপ্রিয় দল মাঠে নামলেও ভারত এখনও বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারেনি। নিজেদের প্রথম ম্যাচে তারা পরাশক্তি অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হচ্ছে ।
যেহেতু চেন্নাইয়ে খেলা হচ্ছে, তাই অনুমান করা যায় প্রতিযোগিতাটা কঠিন হবে। লড়াই হবে ভারতের বিশ্বসেরা ব্যাটিং শক্তি এবং অস্ট্রেলিয়ার দুর্দান্ত পেস আক্রমণের। তবে প্রশ্ন উঠছে অসি পেসের ব্যাটারি চেন্নাইয়ের জ্বলন্ত তাপ কতটা সহ্য করতে পারবে।
ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরুর আগে কিছু দুঃসংবাদ পেল ভারতীয় শিবির। বর্তমানে শীর্ষ ফর্মে থাকা ব্যাটার শুভমান গিল ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। তাই চেন্নাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে তার না খেলার সম্ভাবনা বেশি। বৃহস্পতিবার অনুশীলনের সময় আঙুলে চোট পান হার্দিক পান্ডিয়া। কিন্তু তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন।
গিলের পরিবর্তে ওপেনারে খেলতে পারেন ইশান কিষান। যাকে প্রথম একাদশে বিশ্বকাপের শুরুর দিকে অন্তত ভাবা হচ্ছিল না। রোহিতের সঙ্গে লোকেশ রাহুলকে ওপেন করানো হবে কি না, তা নিয়েও চর্চা চলছে। আইপিএলে নিয়মিতভাবে ওপেন করেন রাহুল। তবে ঈশান নিজে ওপেনার হিসাবে খেলতে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন। অন্যদিকে রাহুল পাঁচ নম্বরে নেমে রান পাচ্ছেন। তাই হয়তো গিল না পারলে ঈশানই ওপেনার।
ওপেন করলে মাঝখানে দাঁড়াতে পারেন শ্রেয়াস আইয়ার বা সূর্যকুমার যাদব। দুজনেই আছেন দারুণ ছন্দে। চার নম্বরে ব্যাট করতে পারেন লোকেশ রাহুল। ছয় নম্বরে রয়েছেন হার্দিক পান্ডিয়া। ভারতীয় দলে অলরাউন্ডার পান্ডিয়ার জায়গা নিশ্চিত। ভারতের সহ-অধিনায়কও তিনি। এই দলের পরবর্তী নাম রবীন্দ্র জাদেজা। সাত নম্বরে ব্যাট করতে পারেন জাদেজা। দলে সুযোগ পাবেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন বা শার্দুল ঠাকুর। চেন্নাইয়ের উইকেটে সাধারণত স্পিন করার প্রবণতা কিছুটা থাকে। এটি অশ্বিনকে দলে জায়গা পাওয়ার দৌড়ে শার্দুলের থেকে এগিয়ে রাখে। এছাড়া কুলদীপ যাদব,মোহাম্মদ সিরাজ ও জাসপ্রিত বুমরাহরা তো থাকছেনই। পরাশক্তি অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হচ্ছে
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ: রোহিত শর্মা, ঈশান কিষান, বিরাট কোহলি, লোকেশ রাহুল, শ্রেয়াস আইয়ার/সূর্যকুমার যাদব, হার্দিক পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাদেজা, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, কুলদীপ যাদব, মোহাম্মদ সিরাজ, জাসপ্রিতবুমরাহ।
অসি অধিনায়ক কামিন্স অবশ্য এত কিছু ভাবছেন না। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়াকে পন্টিং-ওয়ার্নদের মতো আগ্রাসী ক্রিকেট খেলতে দেখা যায় না। এটাকে অবশ্য সময়ের সঙ্গে তাল মেলানো বলছেন কামিন্স। এখন তারা অতি-আগ্রাসী নন, নীরবে নিজেদের কাজটা করে যান।
