মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক নেতা সৌদি আরব, ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ব্যাপক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
স্থানীয় সময় বুধবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এসপিএ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
আমাদের লক্ষ্য হলো যে কোনো মূল্যে বেসামরিক লোকজনকে লক্ষ্যবস্তু বানানো এবং সাধারণ মানুষের প্রাণহানি থামানো। আমরা চাই, দু’পক্ষের মধ্যে যেসব সমস্যা রয়েছে- সেগুলো আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী সমাধান করা।
এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান ও মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গে যুদ্ধের শুরু থেকেই আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন সৌদি যুবরাজ।
দুই বছর ধরে পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি শেষে ৮ অক্টোবর শনিবার ভোর রাত থেকে দক্ষিণ ও মধ্য ইসরাইলের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে একের পর এক রকেট ছোড়া শুরু করে হামাস।
ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফ এবং হামাসের উচ্চ পর্যায়ের একাধিক সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, শনিবার সূর্যের আলো পুরোপুরি ফোটার আগেই ৩ হাজারেরও বেশি রকেট ছোড়া হয়েছিল ইসরাইলের বিভিন্ন সামরিক-বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে।
কাছাকাছি সময়ে মোটরচালিত প্যারা গ্লাইডারে চেপে হামাসের বেশ কয়েকজন যোদ্ধা সীমান্ত পেরিয়ে ইসরাইলের সেনাবাহিনীর দক্ষিণাঞ্চলীয় কমাণ্ডের কার্যালয়ে গিয়ে সেনা কর্মকর্তা ও সদস্যদের বন্দি ও জিম্মি করার পাশাপাশি ওই কমান্ডের সঙ্গে সেনাবাহিনীর মূল কমান্ড ও অন্যান্য শাখার কার্যালয়ের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। তার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই মোটরসাইকেল ও জীপে করে সীমান্ত পেরিয়ে ইসরাইলে প্রবেশ করেন হামাসের আরও কয়েক শ’ যোদ্ধা। হামাসের মধ্যে যুদ্ধের অবসান
শনিবার সকাল থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২৩০০ জন নিহত এবং ৮০০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছে। নিহত ও আহতদের মধ্যে অসংখ্য নারী, শিশু ও বেসামরিক নাগরিক রয়েছে।
