এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলেছে, তারা গাজায় স্থল, সমুদ্র ও আকাশপথে যৌথ হামলা চালাবে ।
তার বিবৃতিতে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ইঙ্গিত দেয় যে আসন্ন স্থল আক্রমণ দীর্ঘমেয়াদী এবং ব্যাপক হবে।
হামাস ইসরায়েলের যে জায়গাটির পুনর্দখল নিয়েছিল তা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়ে ইসরায়েল বলেছে, এখন ইসরায়েলি বাহিনী ‘গুরুতর’ পরিস্থিতিতে রয়েছে। ভূমি, সাগর ও আকাশ পথে ‘সম্মিলিত হামলা’য় যুক্ত হতে ব্যাপক সরঞ্জাম মোতায়েন করা হয়েছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘কার্যকরভাবে যাতে যুদ্ধ সরঞ্জামের সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়, সে লক্ষ্যে অগ্রভাগকে প্রস্তুত করা হচ্ছে।’ এর মানে গাজায় ইসরায়েলি সেনারা ঢোকার পর যেন সব যুদ্ধ সরঞ্জাম হাতের কাছে পায় তার বন্দোবস্ত করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, গত ৫০ বছরের ইতিহাসে এতটা ব্যাপক আয়োজন করে ইসরায়েল। আকাশপথে যৌথ হামলা চালাবে
গত সপ্তাহের আজকের দিন শনিবার ভোরে গাজা থেকে হামাস হঠাৎ করে উপর্যুপরি রকেট হামলা শুরু করলে হামাস-ইসরায়েল পাল্টাপাল্টি সংঘাত শুরু হয়। এ পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় গাজার অন্তত দুই হাজার ২০০ জন নিহত হয়েছে। আর হামাসের হামলায় ইসরায়েলি নিহত হয়েছে এক হাজার ৩০০ জনেরও বেশি। গত অন্তত ৫০ বছরের ইতিহাসে কোনো হামলায় এতজন ইসরায়েলি নিহতের ঘটনা ঘটেনি।
প্রাণ বাঁচাতে কোথাও নিরাপত্তা পাচ্ছে না সাধারণ মানুষ। এর মধ্যেই নতুন করে স্থল, সাগর ও আকাশপথে অভিযান শুরু হতে যাচ্ছে। এ ধরনের অভিযান বন্ধ করতে ইসরায়েলকে আহ্বান জানিয়েছে ইরান, সৌদি আরব এবং জাতিসংঘ।
