ওষুধের পাশাপাশি জীবনযাত্রা , খাদ্যাভ্যাসও ডায়াবেটিস চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে নিয়মিত শাকসবজি খেলে আপনি দ্রুত আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।
পালংশাক নানা গুণের ভাণ্ডার। তার মধ্যে একটি বৈশিষ্ট্য হল ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা। পালংশাকে প্রচুর পরিমাণে আছে ভিটামিন সি, পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম। এদের প্রভাবে ব্লাড সুগার কম থাকে।
ডায়াবেটিসে বেলপেপার বা ক্যাপসিকামকে খুবই উপকারী বলে মনে করা হয়। ক্যাপসিকামের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।
ব্লাড সুগার কমাতে বহুদিন ধরেই স্বীকৃত হল ঢেড়শ। টাইপ ওয়ান এবং টাইপ টু ডায়াবেটিস, অন্তঃসত্ত্বাকালীন ডায়াবেটিস সারাতে ডায়েটে রাখুন ঢেড়শ।
বাঁধাকপিও ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর। পুষ্টি ও খাদ্যগুণে ভরা ব্রকোলির জিআই ইনডেক্স কম। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী। ওষুধের পাশাপাশি জীবনযাত্রা
তবে চিকিৎসকের মতে, এই সবজিগুলো খেতে হবে কাঁচা অবস্থায়, বিশেষত স্যালাদে। নয়তো নামমাত্র তেল মশলা দিয়ে। ফিটনেস গুরু এবং বিশেষজ্ঞ Mickey Mehta কিছু পানীয়, ফল এবং শাকসবজি সম্পর্কে জানিয়েছেন যা গরমের মরশুমে আপনার খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। এই জিনিসগুলি শুধুমাত্র রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে না এর পাশাপাশি ডিহাইড্রেট, ক্লান্তি, দুর্বলতা এবং অস্থিরতার মতো উপসর্গগুলি কমাতে সাহায্য করে।
এই জন্য ডায়াবিটিক রোগীদের হাইড্রেটেড থাকতে স্টার্চযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে ও উচ্চ আঁশযুক্ত খাবার রাখার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। খাদ্যাভাসে এই সব নিয়ন্ত্রণ করলে সুগার রোগীদের রক্তের শর্করাকে নিয়ন্ত্রণ হয় সহজেই। এর ফলে আপনি গোটা গ্রীষ্মই সুস্থ থাকবেন। এর পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে জল পান করতে বলেন বিশেষজ্ঞরা। প্রচুর পরিমাণে নারকেল জল, শশা ও জলযুক্ত শাকসবজি খান।
