সেন্ট্রাল লন্ডনে ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেছে । যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের অন্যান্য স্থানেও একই ধরনের বিক্ষোভ চলছে।লন্ডনের মিছিল-সমাবেশ থেকে আলজাজিরার সংবাদদাতা রোরি চালানডস জানিয়েছেন, এটি একটি বড় ধরনের সমাবেশ।
সমবেত জনতা ফিলিস্তিনে ইসরাইলের বোমাবর্ষণ বন্ধের দাবি জানাচ্ছেন। তাদের হাতে রয়েছে ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ (ফিলিস্তিন মুক্ত কর) লেখা ব্যানার।আয়ারল্যান্ড, ফিনল্যান্ড, ফিলিপাইনেও ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে মিছিল হয়েছে।ফিলিস্তিনিদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্টের মানুষ বিক্ষোভ করেছে
ইসরাইলের সাথে সংঘাতে ফিলিস্তিনিদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট চাইরিল রামাফোসা। ক্ষমতাসীন দল আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের এক বৈঠকে তিনি এ একাত্মতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, ‘৭৫ বছর ধরে তারা দখলদারিত্বের অধীনে রয়েছে। তারা একটি অত্যাচারী সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে, যারা তাদের জমি দখল করেছে। দখলদারদের সাম্প্রতিক সময়ে একটি বর্ণবাদী রাষ্ট্র হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। যে সংগঠন বর্ণবাদের নিপীড়নমূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছে, আমরা সেইসব ফিলিস্তিনিদের জন্য সংহতির অঙ্গীকার করি।’
তুরস্কে বিক্ষভকারীরা মসজিদের বাইরে জনতা জড়ো হয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর দিয়ারবাকিরে ৪৬ বছর বয়সী ব্যবসায়ী মিকাইল বাকান রয়টার্সকে বলেছেন, ‘ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সমস্ত মুসলিম বিশ্বের এক হওয়া দরকার।’
ইসরায়েল-অধিকৃত পশ্চিম তীরের নাবলুসে, ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় আগুন ধরিয়ে দেয় এবং ইসরায়েলি সেনা সদস্যদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান।
রোমে একটি বিশাল ফিলিস্তিনি পতাকা নিয়ে বিক্ষোভকারীরা মিছিল করেছেন। ডেনমার্কের ব্রাব্র্যান্ড, জার্মানির বার্লিনসহ ইউরোপের বিভিন্ন শহরে বিক্ষভ হয়েছে। সংঘাতের আশঙ্কায় জার্মানি এবং ফ্রান্স ফিলিস্তিনের পক্ষে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করেছে। বেশ কয়েকটি পশ্চিমা দেশ বলেছে যে তারা সিনাগগ এবং ইহুদি স্কুলগুলোতে নিরাপত্তা বাড়িয়েছে।
