গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের অবরোধের ফলে উপত্যকায় বিশুদ্ধ পানি , জ্বালানি ও চিকিৎসা সরঞ্জামের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। গাজা উপত্যকার মানুষ কুয়োর নোংরা পানি পান করতে বাধ্য হচ্ছে।
শনিবার জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থা ইউএনআরডব্লিউ এর কমিশনার জেনারেল ফিলিপ লাজারিনি এ তথ্য জানিয়েছেন।
ফিলিপ লাজারিনি বলেন, গাজায় সুপেয় পানি ফুরিয়ে যাচ্ছে। ফলে তাদের বাধ্য হয়ে কুয়ার নোংরা পানি খেতে হচ্ছে। এতে নানা রোগবালাই ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। এ অবস্থায় সুপেয় পানির জন্য গাজায় জ্বালানি সরবরাহ জরুরি।
তিনি আরও বলেন, এটা জীবন-মৃত্যুর ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ দুই মিলিয়নের বেশি মানুষ সুপেয় পানির সংকটে পড়েছে। উপত্যকায় বিশুদ্ধ পানি
সংস্থাটি জানিয়েছে, এক সপ্তাহ ধরে গাজায় কোনো মানবিক সহায়তার অনুমতি দেওয়া হয়নি।
লাজারিনি বলেন, ‘আমাদের এখন গাজায় জ্বালানি সরবরাহ করা জরুরি।কারণ সুপেয় পানির একমাত্র উপায় হল জ্বালানি। যদি তা না হয়, মানুষ মারাত্মক পানিশূন্যতায় মারা যেতে শুরু করবে। শিশু, বয়স্ক ও নারীরা বেশি বিপদে পড়বে। তাই আমি মানবিক সহায়তার জন্য এখনই অবরোধ প্রত্যাহারের অনুরোধ করছি।’
ইউএন রিলিফ অ্যান্ড ওয়ার্কস এজেন্সি ফর প্যালেস্টাইন রিফিউজিস ইন দ্য নিয়ার ইস্টবিষয়ক কমিশনার জেনারেল ফিলিপ্পে লাজ্জারিনি শনিবার এক বিবৃতিতে বলেন, বিষয়টি এখন জীবন মৃত্যুর হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব মানুষের জন্য পানি সরবরাহ ঠিক রাখার জন্য গাজায় এখন অত্যাবশ্যকভাবে জ্বালানি সরবরাহ প্রয়োজন।
গাজার চারদিকে ইসরাইলের ভয়াবহ অবরোধের বিপর্যয়ের কথা জোর দিয়ে তুলে ধরেন তিনি। বলেন, পানি শোধনাগার এবং সরকারি পানিবিষয়ক নেটওয়ার্ক কাজ করতে পারছে না জ্বালানি সংকটে। ফলে গাজা উপত্যকায় পরিষ্কার পানি ফুরিয়ে যাচ্ছে। এ কারণে জনগণ কূপ থেকে নোংরা পানি পান করতে বাধ্য হচ্ছে।
