গাজা যুদ্ধ থেকে বেশ কিছু ইহুদিবাদী সেনা পালিয়ে গেছে বলে ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে। ফার্স বার্তা সংস্থা ইহুদিবাদী টিভি চ্যানেল-টেনের বরাত দিয়ে আরও জানিয়েছে, ওইসব সেনা গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরোধী।
দখলদার ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের মধ্যে গাজা যুদ্ধ নিয়ে তীব্র মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে। ঊর্ধ্বতন বহু সেনা কর্মকর্তা রণাঙ্গন ছেড়ে চলে গেছেন বলেও খবর পাওয়া গেছে।
বেশ কয়েকদিন ধরে ইহুদিবাদী মিডিয়া গাজা উপত্যকায় দখলদার সেনাবাহিনীর স্থল হামলার পরিকল্পনার কথা প্রচার করে যাচ্ছে। গাজায় স্থল অভিযানের ব্যাপারে ইহুদিবাদী মন্ত্রিসভার অনুমোদনের কথাও ফলাও করছে। ইসরায়েলি মিডিয়া দাবি করছে, দখলদার সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে মতপার্থক্যের বিষয় হলো গাজার কতোটা গভীরে তারা অনুপ্রবেশ করবে-তা নিয়ে। ইহুদিবাদী সেনা পালিয়ে গেছে
কেননা ইসরায়েলসহ পশ্চিমা বিশ্লেষকরা গাজায় ইহুদিবাদীদের স্থল অভিযানের বিষয়ে সতর্ক করেছেন। তারা স্থল অভিযানে হামাস আন্দোলনকে মোকাবেলা করার ব্যাপারে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সক্ষমতা নিয়ে সন্দেহ করছেন। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর একজন কর্নেল মিডল ইস্ট আই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, গাজায় স্থল অভিযান ইসরায়েলি রিজার্ভ ফোর্সের জন্য নরক হয়ে উঠতে পারে। কারণ ইসরায়েলি সেনারা এ ধরনের অভিযানের জন্য যথেষ্ট প্রশিক্ষিত নয় বলে এই সামরিক কর্মকর্তা স্পষ্ট মন্তব্য করেন।
ইহুদ ওলমার্ট, ইহুদি শাসকের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী, গাজায় স্থল হামলা সহজ হবে না বলেও সতর্ক করেছেন।
গাজা যুদ্ধ থেকে বেশ কিছু ইহুদিবাদী সেনা পালিয়ে গেছে বলে ইসরাইলি গণমাধ্যম খবর দিয়েছে। ফার্স বার্তা সংস্থা ইহুদিবাদী টিভি চ্যানেল-টেনের বরাত দিয়ে আরও জানিয়েছে, ওইসব সেনা গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরোধী।
দখলদার ইসরাইলি সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের মধ্যে গাজা যুদ্ধ নিয়ে তীব্র মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে। ঊর্ধ্বতন বহু সেনা কর্মকর্তা রণাঙ্গন ছেড়ে চলে গেছেন বলেও খবর পাওয়া গেছে।
