বলিউড স্টার হৃতিক রোশানের বয়সের তুলনায় অন্তত ১৭ বছরের ছোট প্রেমিকা সাবা আজাদ । এ নিয়ে কম কটাক্ষ শুনতে হয়নি সাবাকে। এবার নেটপাড়ায় ফের হাসির খোরাক হয়েছেন হৃতিকের প্রেমিকা। সম্প্রতি মুম্বইয়ে একটি ফ্যাশন শোতে গান গাইছিলেন সাবা। কিন্তু গাইতে গাইতে র্যাম্পে যেভাবে নাচতে শুরু করলেন এ অভিনেত্রী, তা খুব একটা ভালো চোখে দেখেননি অনেকে। সাবাকে মানসিক ভারসাম্যহীনের তকমা দেওয়া হয়।
বলা হয় তার চিকিৎসার প্রয়োজন আছে। কেউ কেউ তো তাকে মনোবিদ দেখানোর পরামর্শও দিয়ে বসেছেন। এবার প্রেমিকার সাবার জন্য নিজেই মাঠে নামলেন হৃতিক। প্রেমিকা সাবা আজাদ
সাবার সেদিনের পারফরম্যান্সের ভিডিও নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে পোস্ট করে লিখেন, ‘এমন সমর্পণ করতে পার বলেই তো এত ঔজ্বল্য তোমার।’ সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন হৃদয়ের ইমোজি। স্বল্প কথায় সাবার হয়ে জবাব দিয়ে দেন অভিনেতা।
সম্প্রতি এক প্রবীণ নাট্যনির্দেশক-অভিনেতার উপর একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ করেছে শান্তনু সাহা নামক এক নবীন চিত্রনির্মাতা৷ নাট্যজীবনের প্রথম দিকে, অর্থাত্ ষাটের দশকের মধ্যভাগে, সেই নাট্যজন ১৩ জন সঙ্গীসাথীসহ তাঁর তখনকার নাট্যদল ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন৷ আর সেই পর্বটি তুলে ধরতে তথ্যচিত্রনির্মাতা প্যারালাল কাটিং করে দেখিয়েছেন ঋত্বিক ঘটকের ‘কোমল গান্ধার’ ছবির বেশ কিছু দৃশ্য৷
একটি কাল্পনিক কাহিনি সেখানে হয়ে ওঠে বাংলা থিয়েটারের আবহমান কালের দল ভাঙাভাঙির দলিলচিত্র৷ এই ভাবনাটি আমার মতো অনেককেই চমত্কৃত করেছে৷ সেই ‘কোমল গান্ধার’ ছবিটি আমাকে প্রবল ভাবে আকর্ষণ করেছিল মূলত দু’টি কারণে৷ এক, তাতে ছিল একটি নাট্যদলের ভিতরকার ছবি- তাদের সৃষ্টির উল্লাস, রাজনৈতিক বিশ্বাসের ভিত, সংগ্রাম, সংগঠন এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন ইত্যাদি ইত্যাদি৷ আমি তখন চলেছি থিয়েটার আর ফিল্মের দু’নৌকোয় পা দিয়ে- একদিকে ক্যালকাটা ফিল্ম সোসাইটি, অন্য দিকে ‘বহুরূপী’তে শিক্ষানবিশি- ঠিক দু’বছর পরই শুরু হবে সিরিয়াস নাট্যচর্চা, ‘নান্দীকার’-এ৷
দ্বিতীয় কারণ, দুই বাংলার সীমান্তের একটি দৃশ্য, যেটা দেখে বুক ফেটে কান্না বেরিয়ে এসেছিল ১৩ বছর আগে দেশ-ছেড়ে-চলে-আসা এক যুবকের, যে ক্ষত বার্ধক্যে পৌঁছে আজও বুকে নিয়ে চলেছে সে৷
ছবির একটি দৃশ্য: নায়ক ভৃগু ও তার প্রেমিকা অনসূয়া দাঁড়িয়ে আছে একটি রেললাইনের পাশে৷ সামনে নদী, ও পারে পূর্ব পাকিস্তান৷ ও পারটা দেখিয়ে ভৃগু অনসূয়াকে বলে, ওই ও পারে আমার দেশ! একটা অদৃশ্য রেল-ইঞ্জিন (অর্থাত্ ক্যামেরা) ভস্ ভস্ করে বাষ্প ছাড়তে ছাড়তে এগিয়ে এসে থেমে যায় একটি দৃশ্যমান বাফারে৷
