ইসরায়েলের একজন মন্ত্রী দেশটির একটি হাসপাতালে গিয়েছিলেন। উদ্দেশ্য, ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাসের হামলায় আহত ব্যক্তিদের সঙ্গে দেখা করা। বিক্ষোভের মুখে হাসপাতালের প্রবেশমুখ থেকে ফিরতে হয় তাকে।
অন্য একজন পুরোহিত তাকে কফি ছুড়ে মেরেছিলেন। মন্ত্রীর শরীর স্পর্শ না করলেও দেহরক্ষীর গায়ে কফি পড়ে যায়। হামাস হামলার শিকারদের সাথে দেখা করার সময় আরেক মন্ত্রীকে “বিশ্বাসঘাতক” এবং “মূর্খ” বলে উপহাস করা হয়েছিল। গত ১৬ অক্টোবর থেকে এসব ঘটনা ঘটেছে। ওই দিন ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন হামলা চালায় হামাস।
ইসরায়েলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪০০। আহত ৪ হাজার ৪৭৫ জন। অন্তত ৩০৪ ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছেন।
ইসরায়েলের হিব্রু ভাষার সংবাদপত্র ‘ম্যারিভ’ একটি জনমত জরিপ চালিয়েছে। এতে দেখা গেছে, হামাসের হামলার পর ২১ শতাংশ ইসরায়েলি নেতানিয়াহুকে প্রধানমন্ত্রী পদে দেখতে চান। ৬৬ শতাংশ প্রধানমন্ত্রী পদে ‘অন্য কাউকে’ চান। আর ১৩ শতাংশ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি।
তাই, এখন যদি ইসরায়েলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে ক্ষমতাসীন লিকুদ পার্টি এক-তৃতীয়াংশ আসন হারাবে। এর সুবিধা পেতে পারেন নেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী মধ্যপন্থি ন্যাশনাল ইউনিটি পার্টির নেতা বেনি গান্তজ। দলটি নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় গেলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। ইসরায়েলের একজন মন্ত্রী
এ সংঘাত নেতানিয়াহুর পররাষ্ট্রনীতির সামনে দুটি চ্যালেঞ্জের জন্ম দিয়েছে। প্রথমত, সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া। ইতোমধ্যে এ উদ্যোগে ভাটা পড়েছে। দ্বিতীয়ত, ইরানের প্রভাব খর্ব করা। কেননা ইসরায়েল ভূখণ্ডে হামাসের সফল হামলাকে কার্যত ইরানের বিজয় হিসেবে ধরা হচ্ছে।
