বিশ্বকাপে বাংলাদেশ বনাম ভারতের ম্যাচ মানেই যেন ২০০৭ এর স্মৃতি ফিরে আসা। বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় জয় এসেছিল সেদিন। ত্রিনিদাদের পোর্ট অভ স্পেনে সেদিন তিন ফিফটির সঙ্গে অসাধারণ বোলিংয়ে ভর করে ম্যাচ জিতেছিল বাংলাদেশ।
পোর্ট অভ স্পেনের সেই ম্যাচে বাংলাদেশের ওপেনিংয়ে ছিলেন তরুণ তামিম ইকবাল। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের একেবারেই শুরুর দিকে ছিলেন তামিম। এরপরের কথা সবারই জানা। জহির খান, মুনাফ প্যাটেলদের কচুকাটা করে ৫৩ বলে ৫১ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। সেই ম্যাচে তামিমের পাশাপাশি অর্ধশতক ছিল সাকিব আল হাসান এবং মুশফিকুর রহিমের। ম্যাচ বাংলাদেশ জিতেছিল ৫ উইকেটে।
২০০৭ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি প্রথম খেলেছিলেন বাংলাদেশের হয়ে। তেরো বছর পর তামিম ইকবাল এখনো স্বমহিমায় উজ্জ্বল। সম্প্রতি ওয়ানডে দলের অধিনায়ক হয়েছেন। দেশের ব্যাটিং অর্ডারের অন্যতম স্তম্ভ এই বাঁ হাতি ব্যাটসম্যান ক্যারিয়ারজুড়ে জন্ম দিয়েছেন অসংখ্য অসাধারণ মুহূর্তের। আজ তাঁর জন্মদিন। এ উপলক্ষে তামিমের হাতে তৈরি সেই অসাধারণ সব মুহূর্তের দিকে ফিরে তাকালে কেমন বাংলাদেশ বনাম ভারতের ম্যাচ
ভারত তো বটেই, আজ থেকে ১৩ বছর আগে ক্রিকেট–দুনিয়ারই অন্যতম সেরা ফাস্ট বোলার ছিলেন জহির খান। ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে জহিরের সঙ্গেই একটা অসাধারণ মুহূর্ত আছে তামিম ইকবালের। বিশ্বকাপে পোর্ট অব স্পেনে ভারতের বিপক্ষে সেই ম্যাচটি। আগের বলেই নাকানিচুবানি খাইয়েছেন মাত্র তিনটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা অনভিজ্ঞ বাংলাদেশি ওপেনারকে। সে সময়ে অন্য যেকোনো ব্যাটসম্যান এমন মুহূর্তে বোলারকে সমীহ করে খেলার কথা চিন্তা করতেন। জহির খানও নিশ্চয়ই ভেবেছিলেন, তাঁকে মারার সাহস করবেন না তামিম।
শেষ পর্যন্ত শঙ্কা হলো সত্যি। ভারতের বিপক্ষে বিশ্বকাপের মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ মিস করছেন বাংলাদেশ দলের নিয়মিত অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। পরিপূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে হোটেল থেকে মাঠে গেলেও মাঠে নামা হচ্ছে না তার। অধিনায়ককে নিয়ে কোনপ্রকার ঝুঁকি নিতে রাজি নয় টিম ম্যানেজমেন্ট।
