গাজা উপত্যকার একটি ঐতিহাসিক মসজিদ ইসরায়েলি বিমান হামলায় ধ্বংস হয়ে গেছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এই তথ্য দিয়েছে।
গাজার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ইসরাইলি বিমান হামলার কারণে উত্তর গাজা উপত্যকায় ঐতিহাসিক আল-ওমারি মসজিদ ধ্বংস হয়েছে।
অপরদিকে ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অধিকৃত পশ্চিম তীরের নুর শামস শরণার্থী শিবিরে ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় পাঁচ শিশু-সহ মোট ১৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।ইসরাইলের সামরিক বাহিনী বলেছে, তারা একটি ‘উগ্রবাদী দলকে’ লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে।
মিসর এবং গাজা সীমান্তে খাবার, পানি এবং ওষুধের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় ত্রাণ সহায়তা নিয়ে শতাধিক ট্রাক অপেক্ষা করছে।গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় মিসরের সাথে একটি চুক্তি সই হয়েছে। যার আওতায় ২০টি ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ করতে দিতে রাজি হয়েছে মিসরীয় সরকার। দেশটির সংবাদ মাধ্যমগুলোতে বলা হচ্ছে, শুক্রবারের আগ পর্যন্ত মিসর-গাজা সীমান্ত পারাপারটি খুলবে না।
গাজায় ইসরাইলের দাবি অনুযায়ী, হামাসকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে দেশটি।
ইসরাইলের সামরিক বাহিনী বলেছে, স্থল অভিযানের আগে সীমান্তে জড়ো হওয়া সেনাবাহিনী গাজাকে ভেতর থেকে দেখার জন্য ‘প্রস্তুত’ রয়েছে। একটি ঐতিহাসিক মসজিদ
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বজুড়ে থাকা আমেরিকার নাগরিকদের জন্য সহিংস হামলার বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে।
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। একইসাথে তিনি সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সাথে আলোচনা করতে দেশটিতে গিয়েছেন।
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডের লেয়েন এই সঙ্ঘাতের কারণে একটি ‘বাস্তব’ বিপদের বিষয়ে সতর্ক করেছেন যা প্রতিবেশী অঞ্চলগুলোতে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
জাতিসঙ্ঘের ত্রাণ বিষয়ক সংস্থা ইউএনআরডাব্লিউএ-এর কমিশনার জেনারেল বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্য ‘নরকের দ্বারপ্রান্তে’ রয়েছে এবং তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘বিশ্ব এখন তার মানবতা হারাচ্ছে।’
