মিশর থেকে রাফাহ ক্রসিং হয়ে গাজা উপত্যকায় প্রবেশ করতে শুরু করেছে রেড ক্রিসেন্টের মানবিক সহায়তাবাহী ট্রাকগুলো। যদিও ত্রাণ সংস্থাগুলো বারবার ২০ ট্রাকের এই সহায়তাকে ‘সমুদ্রের মাঝে একফোঁটা পানির’ সঙ্গে তুলনা করে আসছে।
গাজার ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা বলছেন, অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ত্রাণের যে বহর প্রবেশ করছে, তা খুবই সীমিত। বিদেশে চিকিৎসার প্রয়োজনে আহত ব্যক্তিদের জন্য একটি মানবিক করিডোর অবশ্যই স্থায়ীভাবে খোলা রাখতে হবে। মিশর থেকে রাফাহ ক্রসিং
গাজাভিত্তিক সরকারি মিডিয়া অফিসের প্রধান সালামা মারুফ এক বিবৃতিতে বলেছেন, শনিবার সকালে যেসব ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ করছে, তা গাজা উপত্যকার মানবিক বিপর্যয়ের পরিস্থিতি পরিবর্তন করতে পারবে না।
প্রসঙ্গত, গত দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ইসরায়েল গাজায় বোমাবর্ষণ করেছে। গাজার বেসামরিক জনগণের ওপর পূর্ণ অবরোধ আরোপ করা হয়েছে, বিশেষ করে পানি, খাদ্য, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও ত্রাণ প্রবেশ বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েল। তাদের এই অভিযানে ৪ হাজার ১০০ জনেরও বেশি লোককে হত্যা করা হয়েছে এবং বাস্তুচ্যুত হয়েছে লাখ লাখ মানুষ।
গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ভূখণ্ডে ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাসের রকেট হামলার পর গাজায় টানা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৭৮৫ ফিলিস্তিনি নিহত এবং প্রায় সাড়ে ১২ হাজারের বেশি আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
অন্যদিকে ইসরায়েলে হামাসের হামলায় ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এছাড়া ইসরায়েল থেকে ২০৬ জনকে অপহরণ করে হামাস গাজায় জিম্মি করে রেখেছে বলে ইসরায়েল দাবি করছে।
