ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি সেনাদের বর্বরতার প্রতিবাদে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদী বিক্ষোভ করেছে দক্ষিণ আফ্রিকার ক্ষমতাসীন এএনসিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠন ও বিভিন্ন গোষ্ঠীর মানুষ।
শুক্রবার (২০ অক্টোবর) জুমার নামাজের পর প্রিটোরিয়ার কূটনীতিক এলাকায় এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। একই দিন কেপটাউনেও বিক্ষোভ হয়। এদিকে শনিবার (২১ অক্টোবর) দক্ষিণ আফ্রিকার পোর্ট এলিজাবেথেও বিক্ষোভ মিছিল করেন কয়েক হাজার মানুষ। বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিক্ষোভ মিছিলে যোগ দেন শহরটিতে থাকা কয়েকশ’ বাংলাদেশি।
অন্যদিকে, রাজধানী প্রিটোরিয়ার লোডিয়ামেও এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে শত শত ফিলিস্তিন সমর্থক অংশগ্রহণ করেন। বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদী বিক্ষোভ
দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার দল এএনসি পক্ষ থেকে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন দলের সভাপতি ও দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা উপস্থিত ছিলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও কর্মকর্তারা।
লন্ডনে টানা দ্বিতীয় সাপ্তাহিক ছুটির দিনে (উইকএন্ড) ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে বিক্ষোভ করেছেন লাখো মানুষ।
লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ-এর (মেট পুলিশ) হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ১ লাখ মানুষ যোগ দিয়েছে ফিলিস্তিনের সমর্থনে বের করা এই বিক্ষোভ মিছিলে।
গাজায় ইসরায়েলের অবিরাম হামলার প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ বের করা হয়েছে। ইসরায়েলের হামলায় শিশুসহ ৪ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।
লন্ডনে বিক্ষোভের ওপর নজর রাখতে ১ হাজারের বেশি পুলিশ কর্মকর্তাকে নিয়োজিত করা হয়েছে। মেট পুলিশের সহকারী কমিশনার ম্যাট টুইস্ট বলেছেন, তারা নিরপেক্ষ থেকে ভয় কিংবা পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালন করবেন।
বেশ কয়েকটি সংগঠনের আয়োজনে এই বিক্ষোভ বের করা হয়েছে। গাজায় তাৎক্ষণিক অস্ত্রবিরতি এবং ‘পূর্ণ মানবিক সহায়তা’ পাঠানোর দাবি করে আসছে সংগঠনগুলো।
