জিততে হলে করতে হবে ৪০০ রান। বিশাল এই রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ছন্নছাড়া ইংল্যান্ড । ব্যাটিং ধসে ৬৮ রানেই ৬ উইকেট হারিয়েছে ইংলিশরা।
দক্ষিণ আফ্রিকার দুই পেসারের তোপে একে একে আউট হয়েছেন ওপেনার জনি বেয়ারস্টো, ডেভিড মালান এবং তিনে খেলতে নামা অভিজ্ঞ ইংলিশ ব্যাটার জো রুট। শুরুতেই ছন্নছাড়া ইংল্যান্ড
রাবাদার শিকার হয়ে ৮ বলে ৫ রান করে সাজঘরের পথ ধরেছেন চারে ব্যাট করতে আসা বেন স্টোকস। হ্যারি ব্রুক ও অধিনায়ক জস বাটলারও টিকলেন না।
১২ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৭০ রানে ব্যাট করছে ইংল্যান্ড। ক্রিজে আছেন ডেভিড উইলি ও আদিল রশিদ।
এর আগে ৭ উইকেট হারিয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৯৯ রান তোলে প্রোটিয়ারা। ৬৭ বলে ১০৯ রানের ইনিংস খেলে হেনরিখ ক্লাসেন। তাকে সঙ্গ দিয়ে শেষ দিকে ঝড় তোলেন জেনসেনও। ৪২ বলে ৭৫ রান করেন তিনি। রেজা হেনড্রিকস তোলেন ৮৫ রান।
ওয়াংখেড়েতে জিততে হলে ইংল্যান্ডকে রেকর্ড গড়তে হতো। রেকর্ড গড়েছেন কিন্তু সেটা জয়ের নয় পরাজয়ের। রানের হিসাবে নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২২৯ রানের ব্যবধানের হার। আগের বিব্রতকর রেকর্ডটি ছিল ২২১ রানের অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও এটি সর্বোচ্চ ব্যবধানের হার। এর আগে ছিল ১২২ রানের।
দক্ষিণ আফ্রিকার দেওয়া ৪০০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধসে পড়ে ইংল্যান্ডের ব্যাটিং অর্ডার। মাত্র ৬৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বসে তারা। দলীয় ১৮ রানে জনি বেয়ারস্টো আউট হন। ব্যক্তিগত ১০ রানে ইংলিশ ব্যাটারকে রাসি ফন ডার ডুসেনের ক্যাচ বানান লুঙ্গি এনগিডি। ৪ রান পর আরেকটি ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। এবার তিনে নামা জো রুটকে হারিয়ে বসে তারা। রুটকে আউট করেন দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং ইনিংসের সময় অপরাজিত ৭৫ রানের ইনিংস খেলা মার্কো ইয়ানসেন। রুটকে সতীর্থ ডেভিড মিলারের হাতে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন বাঁহাতি পেসার।
