হামাসের হাতে বন্দি প্রেমিকা

ফিলিস্তিনির স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের হাতে বন্দি প্রেমিকা ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হয়েছে ২ সপ্তাহের বেশি হয়ে গেল। এই ক’দিনে দুশ্চিন্তায় রাতের ঘুম উড়ে গেছে চব্বিশ বছরের যুবকের। কীভাবে প্রেমিকাকে ফিরিয়ে আনা যায়, সেই চেষ্টাই করছেন আপ্রাণ। হামাসের কাছে তার কাতর অনুরোধ, প্রেমিকাকে বাঁচিয়ে রাখুক!

ইনবার হাইম্যান, নামে ওই তরুণী গত ৭ অক্টোবর ছিলেন নোভার মিউজিক ফেস্টিভ্যালে। ওই ফেস্টিভ্যালের ভলান্টিয়ার হয়ে ভিড় সামলাচ্ছিলেন তিনি। আচমকাই হামাস গোষ্ঠীর হানা। গানের মধুর সুর পাল্টে যায় বিষাদে। দর্শকদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়, পালানোর চেষ্টা করেন সবাই। কিন্তু তাদের মধ্যেই কেউ কেউ হামাসের হাতে বন্দি হন। সেই তালিকায় ছিলেন ইনবারও। 

ওই তরুণীর প্রেমিক নোয়াম অ্যালন সেদিন অনুষ্ঠানে ছিলেন না। হামাস হানার খবর পেয়েই প্রেমিকার জন্য উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠেন তিনি। খোঁজ খবর শুরু করেন। অনেক চেষ্টার পর জানতে পারেন, তার প্রেমিকা ধরা পড়ে গেছেন। তার কয়েকদিন বাদেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যায়, ইনবারকে দুই হামাসপন্থি টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছেন। সেই ভিডিও আরও উদ্বেগ বাড়িয়েছে নোয়ামের।

সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বান্ধবীর কথা বলতে গিয়ে প্রায় কেঁদে ফেলেন নোয়াম। তিনি দাবি করেছিলেন: “আমি তাদের (হামাস) ইনবারের প্রতি সহানুভূতি জানাতে এবং তাকে হত্যা না করতে বলব।” আমি শুধু সেই মানবতা চাই। সকল জিম্মিকে পর্যাপ্ত খাবার, পানি এবং চিকিৎসা সেবা পেতে হবে।

ইসরায়েল সরকার ও মার্কিন সরকারের কাছে নোয়ামের কাতর অনুরোধ, সব বন্দিকে সুস্থ সবলভাবে যেন ফিরিয়ে আনে। তিনি এটাও বলেন, ‘ইসরায়েল সরকার ও সেনাবাহিনীর কাছে এখন বন্দিরাই মূল প্রাধান্য পাচ্ছে। যা দেখে ভালো লাগছে। হামাসের হাতে বন্দি প্রেমিকা

শেষে নোয়াম এইটুকুই বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি ইনবার ফিরে আসবেই..।’প্রেমিকাকে ফিরিয়ে আনতে কোনও সুযোগই নষ্ট করছেন না নোয়াম। ইনবারের গল্প ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন সর্বত্র। গ্রাফিতি করে হোক বা ছবিতে ছবিতে ইনবারের গল্প এখন শহরের কোণায় কোণায়।

গাজা উপত্যকায় হামলা বন্ধ না হলে মধ্যপ্রাচ্য নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments