২০১৫ বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশগ্রহণ। নিজেদের অভিষেক আসরে মোটে একটি ম্যাচ জিতলেও ২০১৯ বিশ্বকাপ থেকে ফিরতে হয় খালি হাতেই। এবার ভারতে নিজেদের ইতিহাস নতুন করে লিখছে আফগানিস্তান। এরই মধ্যে হারিয়ে দিয়েছে দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়নকে। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে হারিয়ে অঘটনের পর ৯২’ বিশ্বকাপজয়ী পাকিস্তানের বিপক্ষে আট উইকেটের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে আফগানরা।
২৩ অক্টোবর চেন্নাইয়ে টস হেরে শুরুতে ফিল্ডিংয়ে নেমে পাকিস্তানকে ২৮২ রানের বেশি স্কোর দাঁড় করাতে দেয়নি আফগানরা। বল হাতে বিশ্বকাপে অভিষিক্ত নুর আহেমেদের স্পিন ঘূর্ণির পর ব্যাট হাতে আরও সাবলীল ছিলেন আফগান ব্যাটাররা। নিজেদের অভিষেক আসরে
২৮৩ রানের লক্ষ্য তাড়ায় রহমানুল্লাহ গুরবাজকে সঙ্গে নিয়ে ১৩০ রানের দারুণ উদ্বোধনী জুটি গড়েন ইব্রাহিম জাদরান। ১১৩ বলে ১০ চারের মারে ব্যক্তিগত ৮৭ রানে ফিরলেও ততক্ষণে দলকে জয়ের কাছাকাছিই নিয়ে গেছেন। চেন্নাইতে আরেকটা আফগান রূপকথার অন্যতম নায়ক ইব্রাহিম জাদরান জিতেছেন ম্যাচসেরার পুরস্কারও।
টার্গেটটা ২৮৩। একটু এদিক সেদিক হলেই হতে পারত যেকোনো কিছুই। শাহিন-শাদাবদের সামনে কোনো চাপ না নিয়ে সাবলীল ব্যাটিংটাই করে গেছেন আফগান দুই ওপেনার। দলকে ভালো শুরু এনে দিয়ে তারা ফিরলেও পরের দুই ব্যাটার হাশমতউল্লাহ শহিদী ও রহমত শাহও দেখেশুনে খেলে জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন। আফগানদের সাফল্যের মন্ত্র-নিয়ন্ত্রিত বোলিং ও নির্ভুল ব্যাটিং। বলতে গেলে ঠান্ডা মাথায় পাকিস্তানকে ধসিয়ে দিয়েছে আফগানরা।
খেলা শেষে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ইব্রাহিম জাদরান বলেন, ‘এ ধরনের একটি ইভেন্টে খেলতে পেরে ভালো লাগছে। “আমি একটি ইতিবাচক খেলা খেলতে চাই। গুরবাজ এবং আমার চমৎকার মুহূর্ত কাটছে। আমরা অনূর্ধ্ব-১৬ থেকে একসাথে খেলছি। দেশের উন্নয়নে এমন অবদান রাখতে পেরে আনন্দিত।
