মঙ্গলবার চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লি শাংফুকে তার পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিন গ্যাংকে মন্ত্রিসভা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
শীর্ষ নেতৃত্বে বড় ধরনের পরিবর্তনের অংশ হিসেবে মন্ত্রিসভায় এ রদবদল আনা হলো। খবর এএফপি’র।
গত জুলাই মাসে কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই কিন গ্যাংকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর সেপ্টেম্বরে খবরে আসে প্রতিরক্ষামন্ত্রী লি শাংফুর আড়ালে চলে যাওয়ার বিষয়টি।
কয়েক মাস ধরে চলা গুঞ্জনের পর চীনের মন্ত্রিসভায় আনুষ্ঠানিক এই রদবদল ঘোষণা করা হলো। লি শাংফুর স্থলাভিষিক্ত কে হচ্ছেন তা এখনো জানা যায়নি।
প্রায় দুই মাস লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যাওয়া চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লি সাংফুকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরখাস্ত করার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ। প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদের পাশাপাশি স্টেট কাউন্সিলর পদ থেকেও সরিয়ে দেয়া হয়েছে তাকে। মঙ্গলবার চীনা সরকারের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রায় দুই মাস ধরে কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লি সাংফুর। এনিয়ে পশ্চিমা মিডিয়া দারুণ সব গুজব ছড়াতে থাকে। লি সাংফু বেঁচে আছেন কিনা, এনিয়েও সংশয় প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গণমাধ্যমগুলো। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই তার বরখাস্তের খবর আসলো। মঙ্গলবার চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি মঙ্গলবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানিয়েছে, প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে স্থায়ী অপসারণের পাশাপাশি পদচ্যুত হওয়া সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিন গ্যাংকে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। শীর্ষ নেতৃত্বে রদবদলের অংশ হিসেবে এমনটি করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতো প্রতিরক্ষামন্ত্রীকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে এই পদে এখনও নতুন কাউকে নিয়োগ দেয়া হয়নি। ফলে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদ কার্যত শূন্যই রয়েছে। দ্য ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের ১৪তম স্থায়ী কমিটির ষষ্ঠ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
