ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান লড়াইয়ে এবার লেবাননের হিজবুল্লাহর দুই সদস্য নিহত হয়েছে বলে গোষ্ঠীটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে। গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর এ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ জন নিহত এবং মোট ৪৯ জন সদস্য নিহত হয়েছে।
হিজবুল্লাহ বলেছে যে দুই ব্যক্তি লেবাননের বেকা প্রদেশে “একটি জিহাদি মিশন চালানোর সময়” নিহত হয়েছে। তবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্ভাব্য যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়ছে। হিজবুল্লাহর শীর্ষ কর্মকর্তারা গাজায় পরিকল্পিত স্থল আক্রমণের বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন, যখন ইসরায়েলিরা বলেছে যে তারা সশস্ত্র গোষ্ঠীর আন্তঃসীমান্ত আক্রমণের ক্ষেত্রে জোরালো প্রতিশোধ নেবে। ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান
দক্ষিণ লেবাননের গ্রাম থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪ হাজার ২০০ লোক বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ইসরায়েলও ঘোষণা করেছে যে তার উত্তর সীমান্তের কাছে আরও ১৪টি শহর থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইসরাইলের ভূখণ্ডে ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের জবাবে লেবাননের হিজবুল্লাহদের সামরিক স্থাপনায় সিরিজ হামলা চালিয়েছে তারা। শুক্রবার রাতে ইসরাইলে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে লেবাননেন বেশ কয়েকটি স্থাপনায় এসব হামলা চালানো হয়। তবে এ ব্যাপারে হিজবুল্লাহর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ইসরাইল ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ) এক্স একটি পোস্টে বলেছে, লেবাননের হিজবুল্লাহদের ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের দিকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়।
হিজবুল্লাহ লেবাননের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী। তাদের হাতে দূরপাল্লার রকেট রয়েছে যা ইসরাইলি ভূখণ্ডে আঘাত হানতে পারে। ২০০৬ সালে ইসরাইলের সঙ্গে মাসব্যাপী যুদ্ধে তারা এসব ক্ষেণণাস্ত্র ব্যবহার করেছিল।
