জরুরি বিভাগ বাদে , কর্তৃপক্ষ গাজা হাসপাতালের অন্যান্য বিভাগে কাজ স্থগিত করেছে। জ্বালানি সংকটের কারণে কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বুধবার (২৫ অক্টোবর) বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, জ্বালানি খরচ কমিয়ে আনতে হাসপাতালের বেশ কিছু বিভাগ বন্ধ রয়েছে। এই মুহূর্তে হাসপাতালে কেবল গুরুত্বর আহতদের জীবন রক্ষায় চিকিৎসা চলছে। সব মিলিয়ে খুব বিপর্যয়কর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
জাতিসংঘের ত্রাণ ও কর্মসংস্থান এজেন্সির (ইউএনআরডব্লিউএ) বরাত দিয়ে দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, জ্বালানি সংকটের কারণে বুধবার রাত পর্যন্ত সংস্থাটির কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। তবে জ্বালানির ট্যাংকের একটি ছবি প্রকাশ করেছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী। দাবি করেছে, গাজার অভ্যন্তরে থাকা এসব ট্যাংকে পাঁচ লাখ লিটারের বেশি জ্বালানি আছে। জরুরি বিভাগ বাদে
হামাস পরিচালিত ফিলিস্তিনি সরকার বলছে, মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) রাতভর ইসরায়েলি বিমান হামলায় ৮০ জন নিহত হয়েছে। শনিবার (৭ অক্টোবর) থেকে এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা প্রায় পাঁচ হাজার ৮০০ জনে পৌঁছেছে। ইসরায়েলে হামাসের হামলায় নিহত হয়েছে ১ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ। ২০০ জনেরও বেশি লোক এখনো জিম্মি আছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ৭০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। হামলা ও মৃতের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকায় লাশ চিনতে শিশুদের শরীরে নাম লিখে রাখছে গাজার লোকজন।
গাজার হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিন ডায়ালিসিস সেবা নেন প্রায় ১ হাজার রোগী। এছাড়া বিভিন্ন হাসপাতালেরি নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে রয়েছে অন্তত ১৩০ জন অপরিপক্ক (প্রিম্যাচিউর) শিশু। সেই সঙ্গে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন এমন বহু রোগী রয়েছেন, যাদের জীবন রক্ষার জন্য হাসপাতালে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ জরুরি।
