গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ

গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ৪৮০ জন নিহতের খবর জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ । সর্বশেষ সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ৭ হাজার ২৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬৬ শতাংশই নারী ও শিশু।

গাজা উপত্যকার উত্তর থেকে দক্ষিণ পর্যন্ত ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর আগ্রাসন অব্যাহত রয়েছে। তারা গাজার প্রতিটি অংশ, প্রতিটি শহর এবং প্রতিটি জেলায় বোমাবর্ষণ করছে।

ইসরায়েলি তাণ্ডবের কারণে এক তৃতীয়াংশ হাসপাতাল ও দুই-তৃতীয়াংশ প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্ধ করতে হয়েছে। এসব হাসপাতাল হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বা জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, মজুত জ্বালানির ভাণ্ডার ক্রমশ ফুরিয়ে আসছে। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও সংকটময় হতে চলেছে। গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ

এদিকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে আনা ইসরাইল ও গাজায় ত্রাণ সহায়তা প্রবেশ করতে দেওয়ার জন্য ‘মানবিক বিরতি’ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের উত্থাপিত প্রস্তাবে ভেটো দিয়েছে চীন ও রাশিয়া। মার্কিন প্রস্তাবের বদলে রাশিয়া একটি প্রস্তাব এনেছে, যেখানে অস্ত্র বিরতির আহ্বান রয়েছে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বলেছে তারা চারশোটি ‘সন্ত্রাসী লক্ষ্যবস্তুতে’ হামলা করেছে এবং কয়েকজন হামাস কমান্ডারকে হত্যা করেছে।

তারা আরও বলেছে, হামাস নতুন করে দুজন জিম্মিকে মুক্তি দেয়ার পরেও তারা হামলার মাত্রা কমাবে না।

এদিকো গাজায় ত্রাণ সরবরাহের জন্য একটি নিরাপদ ও টেকসই ব্যবস্থা তৈরি আহ্বান জানিয়েছ জাতিসংঘের সাহায্য সংস্থাগুলো।

বিদ্যুৎ, ঔষধ, পানি ও কর্মী সংকটের কারণে গাজায় আরও একটি হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।

গত ৭ই অক্টোবর ইসরায়েলের ভূখণ্ডে ঢুকে হামাসের নজিরবিহীন হামলার ঘটনায় ১৪০০ মানুষ নিহত ও আরও ২২২ জনকে জিম্মি করা হয়।

এরপর থেকেই গাজায় বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের হামলায় অন্তত ৫৮০০ মানুষের মৃত্যুর দাবি করেছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

গাজায় যুদ্ধ নয়, গণহত্যা চলছে

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments