ট্রাভিস হেডের উপর অস্ট্রেলিয়ার কেন এত অগাধ আস্থা সেটি প্রমাণ করতে মাত্র একটি ইনিংসই নিলেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ।ইনজুরি থেকে ফেরা মাত্রই ওপেনিংয়ে থিতু হওয়া মিচেল মার্শকে নিচে নামিয়ে হেডকে ফিরিয়ে দেওয়া হয় তার প্রিয় ওপেনিং পজিশন। আর দলে ফিরেই তিনি করলেন ঝড়ো এক সেঞ্চুরি। অবশ্য শুধু হেডই নয়, শনিবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হাইভোল্টেজ ম্যাচে খুনে মেজাজে ছিলেন অধিকাংশ অজি ব্যাটসম্যানরা।
ওপেনিংয়ে তার তার সঙ্গে নামা ডেভিড ওয়ার্নারও ৮১ রানের এক ঝড়ো ইনিংস। কিউই বোলারদের সমানে পিটিয়ে ওপেনিং জুটিতে দুইজনে মিলে ১৭৫ রান যোগ করে ফেলেন মাত্র ১৯ ওভারেই।তখন মনে হচ্ছিল ৪০০ পেরিয়েও আরও অনেক দূর গড়াবে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ। তবে মাঝখানে মার্শ,স্মিথ,লাবুশানের কিছুটা ধীরগতির ব্যাটিংয়ে ছন্দ হারায় অজিরা। সময় নিয়েও তাদের কেউ উইকেটে থিতু হতে পারেননি।তখন মনে হচ্ছিল তিনশোর আশেপাশে থেমে যাবে অজিরা।
তবে শেষ দিকে ম্যাক্সওয়েল,ইংলিশ ও প্যাট কামিন্সের ঝড়ে ফের চারশোর সম্ভাবনা জাগিয়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া।৩৮৯ রানে অলআউট হওয়া প্যাট কামিন্সের দল শেষ ৮ বলেই হারায় চার উইকেট। তবে বিশ্বকাপের প্রথম দল হিসেবে ৪০০ রানের মাইলফলক ছোঁয়া না হলেও নিউজিল্যান্ডের সামনে অসম্ভব এক লক্ষ্যই দাঁড় করিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়ার কেন এত অগাধ
ধর্মশালায় টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার নিউজিল্যান্ডের শুরুটা ছিল একেবারেই সাদামাটা।প্রথম ওভার থেকেই কিউই পেসারদের উপর চড়াও হন হেড-ওয়ার্নার।এই ওপেনার আগ্রাসী ব্যাটিং থেকে রক্ষা পাননি বোল্ট,হেনরি,ফার্গুসন কোন পেসারই।দুজনের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ৫৫ বলে হয় দলীয় সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত ওয়ার্নারের বিদায়ে ১৭৫ রানে ভাঙে এই জুটি।
