ভয়াবহ মানবিক সংকটে গাজা । এখানে এমন কোনো স্থান নেই যেটি নিরাপদ। হাসপাতাল, জাতিসংঘের স্কুল এবং শরণার্থী ক্যাম্পগুলোও ইসরায়েলের বর্বর হামলার শিকার হচ্ছে।
গাজায় পানি, বিদ্যুত্ ও খাবার নেই। পরিস্থিতি এমন যে গাজাকে গলা টিপে হত্যা করছে ইসরায়েল। দ্বিতীয় দিনের মতো স্থল অভিযান চালিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর বাহিনী। স্থল ও বিমান হামলায় ২৪ ঘণ্টায় সেখানে ৪৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গাজায় নিহতের সংখ্যা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সংশয় প্রকাশ করলেও জাতিসংঘ, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, নিহতের সংখ্যার বিশ্বাসযোগ্যতা রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, গাজায় ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচেই হাজার মানুষের মরদেহ চাপা পড়ে আছে বলে তারা ধারণা করছেন।
গাজায় ঠিক কত মানুষের মৃত্যু হয়েছে তার সঠিক তথ্য দেওয়া সম্ভব নয় উল্লেখ করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, তাদের কাছে যে তথ্য রয়েছে তা থেকে মনে করা হচ্ছে, এখনো হাজার মৃতদেহ মাটির নিচে চাপা পড়ে আছে। গতকাল পর্যন্ত গাজায় ৭ হাজার ৩২৬ জন ফিলিস্তিনির প্রাণ গেছে। এর মধ্যে ৩ হাজারের বেশি শিশু নিহত হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায়ই নিহত হয়েছে ৪৮১ জন। এদিকে গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, মধ্য গাজার জঙ্গি ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে অভিযান চলেছে। হামাসের প্রচুর ঘাঁটি ধ্বংস হয়েছে। সেই সঙ্গে হামাস সদস্যরাও নিহত হয়েছেন। অভিযান শেষ করে ইসরায়েলে ফিরেছে বাহিনী। অভিযানের একটি নতুন ভিডিও প্রকাশ করেছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বিভাগ। ভয়াবহ মানবিক সংকটে গাজা
সংঘাতপূর্ণ সিরিয়ায় ইরানসংশ্লিষ্ট দুটি স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রতিরক্ষাবিষয়ক সদর দপ্তর পেন্টাগন এমন দাবি করেছে। ইরাক ও সিরিয়ায় মার্কিন ঘাঁটিতে ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীর হামলার জেরে তেহরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস ও ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর ব্যবহূত স্থাপনায় এমন হামলা চালানো হয়। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন এক বিবৃতিতে বলেন, ১৭ অক্টোবর ইরাক ও সিরিয়ায় ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো মার্কিন সেনাদের ওপর ধারাবাহিকভাবে যেসব হামলা চালিয়েছে, তার জবাবে এসব হামলা চালানো হয়েছে। পরিকল্পিত হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে হোয়াইট হাউজ ঘোষণা করে যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে ‘সরাসরি বার্তা’ পাঠিয়েছেন জো বাইডেন।
