বিশ্বকাপ শুরুর আগে বাংলাদেশ দলের বাইরের খবর নিয়ে আলোচনা ছিল অনেক বেশি। বিশেষ করে তামিম ইকবাল এবং সাকিব আল হাসানের দ্বন্দ্বের বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় সরগরম ছিল ক্রিকেট পাড়া। তামিম অবসর ভেঙে ফিরলেও শেষপর্যন্ত তাকে ছাড়াই ভারতের বিমান ধরে টাইগাররা। এরপর প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানের সঙ্গে জয়ের পর টানা পাঁচ ম্যাচ পরাজয়।
সবশেষ ২৮ অক্টোবর কলকাতায় নেদারল্যান্ডসের কাছে ৮৭ রানের পরাজয়বরণ করেছে বাংলাদেশ। ম্যাচ হারের পর দলের হয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন সাকিব। সেখানে তার কাছে প্রশ্ন ছিল লম্বা সময় অধিনায়ক থাকায় দলেও নিশ্চয়ই তামিমের অনুসারী রয়েছে। বাংলাদেশ দলের বাইরের খবর
তাই তামিম দলে না থাকায় তার অনুসারীদের প্রভাব কী দলের ওপর পড়েছে কি না? সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে সাকিব বলেন, ‘ফেলতেই পারে। অস্বাভাবিক কিছু না। আসলে ব্যক্তির মনের ভেতর কী আছে সেটা বলা মুশকিল। কিন্তু আপনি যেটা বলছেন তার সঙ্গে দ্বিমত করি না। সেটি ফেলতেই পারে।
এর আগে, বিশ্বকাপ শুরুর আগে এক গণমাধ্যমে তামিমকে নিয়ে অনেক কথাই বলেছিলেন সাকিব। সবমিলিয়ে বিশ্বকাপের আগে টালমাটাল অবস্থা ছিল দেশের ক্রিকেট পাড়া। অবশ্য সবার ধারণা ছিল মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই সবকিছু ভুলিয়ে দেবে বাংলাদেশ, তবে সেটি আর হলো কই।
পরিসংখ্যানের বিচারে নেদারল্যান্ডসের চেয়ে ঢের এগিয়ে বাংলাদেশ। যে কারণ ‘কমলা বাহিনী’দের কাছে এমন পরাজয় হজম করা কঠিন এমনটাই বললেন অধিনায়ক সাকিব, ‘এটা আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় চিন্তার বিষয়। ডাচদের আমরা একেবারে দুই পয়েন্ট দিয়ে দিয়েছি। এটা হজম করা খুবই কঠিন। কিন্তু ক্রিকেটে এটা হতেই পারে। ডাচরা যেভাবে বোলিং করেছে তাতে তাদের কৃতিত্ব দেওয়া উচিত। তারা বেশ গোছানো ছিল এবং আমরা বেশ কিছু বাজে শট খেলেছি।’
