ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, ইসরায়লের উত্তরাঞ্চলের সীমান্তবর্তী মাউন্ড ডোভ এলাকায় রোববার লেবানন থেকে রকেট হামলা চালানো হয়েছে। যেখানে রকেট ছোড়া হয়েছে সেখানে তাদের কয়েকটি সামরিক অবকাঠামো রয়েছে। তবে হামলাস্থলে কোনো বসতি বা শহর নেই।
আইডিএফ আরও জানিয়েছে, লেবানন থেকে ছোড়া সবগুলো রকেট উন্মুক্ত স্থানে পড়েছে। ফলে এতে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
লেবাননের যে স্থান থেকে এসব রকেট ছোড়া হয়েছে সেই স্থান লক্ষ্য করে পরবর্তীতে পাল্টা হামলা চালানো হয় বলে দাবি করেছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল এর আগে জানিয়েছিল, ইসরায়েলের তেল আবিব, হারজেলিয়া, রা’ আনানা, হোলোন এবং হোড হাসারোন শহর লক্ষ্য করে রোববার দুপুরে মুহুর্মুহু রকেট ছোড়া হয়। রকেট হামলার আগাম সতর্কতার অংশ হিসেবে সেখানে সাইরেন বেজে ওঠে। রকেট হামলা থেকে বাঁচতে ওই সময় প্রায় ১৫ লাখ মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে ছোটাছুটি শুরু করেন। পরবর্তীতে সেখানে বিস্ফোরণের বড় শব্দ শোনা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, ইসরায়েলি আয়রন ডোম ওই সময় রকেটগুলো ধ্বংস করছিল। তবে ইসরায়েলের এসব শহরে কোন জায়গা থেকে রকেট ছোড়া হয়েছে সে বিষয়টি নিশ্চিত নয়।
গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধ বাধার পর লেবানন থেকেও ইসরায়েলের ভেতর একাধিকবার রকেট হামলা চালানো হয়েছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরা বলছে, শুক্রবার আধা ঘণ্টার মধ্যে তেল আবিবের একটি আবাসিক ভবনে দুটো রকেট হামলা হয়। এতে তিনজন আহত হয়েছেন। প্রাথমিকভাবে কেউ হামলার দায় না নিলেও পরে দায় স্বীকার করে আল–কাসাম বিগ্রেড। তবে তারা একটি রকেট হামলার দাবি করেছে।
যুদ্ধবিরতি ছাড়া ইসরায়েল থেকে আটক ব্যক্তিদের মুক্তি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে হামাস। রাশিয়া সফররত সংগঠনটির এক সদস্য স্থানীয় গণমাধ্যমকে এমনটি জানিয়েছেন। আবু হামিদ নামের হামাসের এক সদস্য রুশ সংবাদমাধ্যম কমার্স্যান্তকে জানান, আটক ইসরায়েলিদের খোঁজ পেতে সময় প্রয়োজন।
