নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে পরাজয়ের পর সমালোচনার বিষে বিদ্ধ হচ্ছেন বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। কোচিং স্টাফ থেকে শুরু করে টিম ম্যানেজমেন্ট খেলোয়াড় সবাইকেই দায়ী করছেন বলছেন ভক্ত-সমর্থকরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একের পর এক ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া আসছেই। অবশ্য দর্শকদের এমন ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়াকে স্বাভাবিকভাবেই স্বীকার করে নিলেন নাজমুল হাসান পাপন।
রোববার কলকাতায় গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে পাপন বলেন, ‘মানুষ এখন খারাপ বলবে, অবশ্যই বলবে। না বলার কোনো কারণ নেই। মানুষজন ক্রিকেটকে ভালোবাসে বলেই খারাপ খেললে কথা বলে। মানুষজন বোর্ডকে, কোচিং স্টাফকে ও প্লেয়ারদের বলবে। এটাই স্বাভাবিক, এটা নিয়ে আমরা একমত। এটা নিয়ে আমাদের কিছু বলা উচিত না।
এর আগে গত শনিবার নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৮৭ রানের ব্যবধানে ম্যাচ হারের পর বাংলাদেশের সেমিফাইনাল খেলার সম্ভাবনা একেবারে শেষ। পাশাপাশি দর্শকদের প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় সাকিব নিজেও হতাশ। যার ফলাফল দর্শকরা প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন মাঠেও। বিষে বিদ্ধ হচ্ছেন বাংলাদেশ
সাধারণত বড় কোনো টুর্নামেন্ট হলে শুরু থেকেই দলের সঙ্গে থাকেন পাপন। কিন্তু ভারতের মাটিতে এবারের বিশ্বকাপে দেখা যায় ব্যতিক্রম। ডাচদের বিপক্ষে ম্যাচের আগের দিন শুক্রবার কলকাতায় পৌঁছান তিনি। এরপর এক দফা আলোচনায় বসেন ক্রিকেটারদের সবার সঙ্গে। তাতে অবশ্য পরিস্থিতি পাল্টায়নি। বরং নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে অসহায় আত্মসমর্পণ করে হতাশা আরও গাঢ় করেছে বাংলাদেশ।
সংকটপূর্ণ পরিবেশে ক্রিকেটারদের সমর্থন দিয়ে যাওয়ার কথা বলেন পাপন, ‘কথা বলে মনে হয়েছে, ওরা এখন অনেক বেশি সিরিয়াস। এই ব্যাপারটা চিন্তা করছে। কীভাবে আরো ভালো করা যায় এবং আশা করা ছাড়া কোনো উপায় নেই। আমি ওদের একটা কথা বলেছি, খারাপ সময়ে মানুষজন খারাপ বলবেই। এটাই স্বাভাবিক। কারণ ভালো সময়ে তো মানুষ মাথায় নিয়ে নাচে। তাহলে খারাপ সময়ে বলবে না কেন? এটা তাদের অধিনায়ক। কিন্তু এই খারাপ সময়ে কেউ না থাকলেও আমরা আছি। কীসের জন্য আছি? সামনে ওরা যেন ভালো খেলে সেজন্য। এই বিশ্বাসটুকু ওদের ওপর আমার আছে। আমাদের যে শক্তি-সামর্থ্য আছে, সেটা দিয়েই আমাদের লড়তে হবে।
