চোখের সামনে মৃত্যু

চোখের সামনে মৃত্যু দেখেছি, আমরা মানুষ, আমাদের জন্তু ভাববেন না, যেতে দিন আমাদের। সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে নিজের মিশরীয় পাসপোর্টটি তুলে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন এক নারী। পাশে তার মেয়ের চোখেও পানি।

তার মতো রাফা সীমান্ত দিয়ে মিশরে প্রবেশের অপেক্ষায় আরো বহু মানুষ। হামাস-ইসরাইল সংঘর্ষে প্রাণ হাতে করে নিজের ঘরে ফিরতে চাইছেন যারা।

বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় বারের জন্য খোলা হয়েছিল রাফা সীমান্ত। কাতারের মধ্যস্থতায় ইসরাইল, মিশর, আমেরিকা ও হামাসের মধ্যে এই চুক্তি হয় যে অন্য দেশের নাগরিক যারা গাজায় আটকে পড়েছেন তাদের মিশরে প্রবেশ করতে দেয়া হবে। বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে গুরুতর জখম গাজার বাসিন্দাদের। সেই প্রেক্ষিতেই আজ সীমান্ত খোলা হয়। তবে, খুব অল্প সংখ্যক মানুষই ছাড় পেয়েছেন। বাকিরা ক্লান্তভাবে ফিরে গেছেন অপেক্ষায়, চার সপ্তাহ ধরে যা চলছে।

এদিকে, সাধারণ ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুমিছিল অব্যাহত গাজা ভূখণ্ডে। মোট মৃত্যু সংখ্যা এখন ৯ হাজার ছাড়িয়েছে।

উল্লেখ্য, গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস ইসরাইলের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করেছে বলে ঘোষণা করে। এর প্রতিরোধে পাল্টা হামলা শুরু করে ইসরাইল। চোখের সামনে মৃত্যু

এক বিবৃতিতে হামাসের সামরিক শাখার প্রধান মোহাম্মদ দেইফ বলেন, গত শনিবার (৭ অক্টোবর) সকালে ইসরাইলে পাঁচ হাজার রকেট বর্ষণের মাধ্যমে ‘অপারেশন আল-আকসা স্ট্রম’ শুরু হয়েছে। এ সময় ইসরাইল গাজা থেকে অনুপ্রবেশের কথা স্বীকার করে।

বস্তুত, ১৯৫৩ সালের পর এই প্রথম এত বড় মাত্রার যুদ্ধ শুরু হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের আল আকসা অঞ্চলে।

গাজায় হামলা ইসরাইলের মূর্খতার পরিচয়

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments