হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরাল্লাহ বলেছেন, ফিলিস্তিনের সশস্ত্র সংগঠন হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে যে সংঘাত চলছে সেখানে শিশু ও নারীদের হত্যা করে ইসরাইল মূর্খতা ও অক্ষমতার পরিচয় দিয়েছে।
শুক্রবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে তিনি চলমান পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্যকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শুক্রবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নাসরাল্লাহ বলেছেন, ইসরাইল আলোচনার মাধ্যমে গাজায় বন্দীদের ফিরিয়ে নিতে পারে।
ইসরাইলকে ‘দুর্বল’ অভিহিত করে হিজবুল্লাহ নেতা বলেন, পুরো এক মাস ধরে ইসরাইলের সামরিক বাহিনী একটি অর্জনও রেকর্ড করতে পারেনি।
তিনি বলেন, গাজায় যুদ্ধ বন্ধ করতে আরব ও মুসলিম দেশগুলোর একসাথে কাজ করা উচিত।
তিনি যোগ করেন, ‘শত্রু’রা যখন গাজা উপত্যকার বালিতে ডুবে যাচ্ছে তখন তারা লেবানন ও হিজবুল্লাহকে হুমকি দিচ্ছে।
নাসরাল্লাহ এ সময় দুটি লক্ষ্যও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রথমটি হলো- গাজায় যুদ্ধ বন্ধ করা এবং দ্বিতীয়টি হলো এই যুদ্ধে হামাসকে বিজয়ী করা।
নাসরাল্লাহ বলেছেন, ইসরাইলের বিরুদ্ধে হামাসের অভিযান একটি নতুন ঐতিহাসিক পর্ব প্রতিষ্ঠা করেছে।
নাসরাল্লাহ ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাসের হামলার সিদ্ধান্তকে সঠিক আখ্যা দিয়ে বলেন, সঠিক সময়ে হামাস এ হামলা করে বুদ্ধিমান ও সাহসীকতার পরিচয় দিয়েছে।
হিজবুল্লাহ প্রধান বলেছেন যে- ইসরাইলের সবচেয়ে বড় ভুলগুলোর মধ্যে একটি হলো- এমন লক্ষ্য তৈরি করা যা তারা অর্জন করতে পারে না। হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান
উল্লেখ্য, গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস ইসরাইলের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করেছে বলে ঘোষণা করে। এর প্রতিরোধে পাল্টা হামলা শুরু করে ইসরাইল।
এক বিবৃতিতে হামাসের সামরিক শাখার প্রধান মোহাম্মদ দেইফ বলেন, গত শনিবার (৭ অক্টোবর) সকালে ইসরাইলে পাঁচ হাজার রকেট বর্ষণের মাধ্যমে ‘অপারেশন আল-আকসা স্ট্রম’ শুরু হয়েছে। এ সময় ইসরাইল গাজা থেকে অনুপ্রবেশের কথা স্বীকার করে।
