গাজায় ইসরায়েলের চলমান বোমা হামলার মধ্যে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে জার্মানিতে বিক্ষোভ করা হয়েছে। ৪ নভেম্বর সংহতি জানাতে বার্লিনের রাস্তায় হাজার হাজার মানুষ নেমে এসেছে।
পুলিশের একজন মুখপাত্র এএফপিকে বলেছেন, আমরা অনুমান করছি প্রায় ৩,৫০০ মানুষ এই বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে। তবে আরও লোক বিক্ষোভে যোগ দিচ্ছে।
এএফপি জানায়, সমাবেশের শুরুতে পরিবেশ শান্ত ছিল এবং অনেক বিক্ষোভকারী তাদের পরিবার এবং সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন। বিক্ষোভকারীরা সেভ গাজা, ‘স্টপ জেনোসাইড’ এবং ‘যুদ্ধবিরতি’ লেখা ব্যানার নিয়ে মিছিলে অংশ নেয়। গাজায় ইসরায়েলের চলমান
অংশগ্রহণকারীদের অনেকেই ফিলিস্তিনিদের আইডেন্টিটি ও প্রতিরোধের প্রতীক স্কার্ফ কেফিয়াহ পরেছে। বিক্ষোভকারীরা মধ্য বার্লিনের বিখ্যাত আলেকজান্ডারপ্লাটজে জড়ো হয়েছিল, তারা ফিলিস্তিনের পতাকা বহন করছিল এবং ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ দাবি তুলে শ্লোগান দিচ্ছিলো বলে জানিয়েছে এএফপি।
ফিলিস্তিনির সমর্থনে বিভিন্ন সংগঠন এই বিক্ষোভের ডাক দেয়। আয়োজকরা ধারণা করেছিল ২,০০০ লোক এতে যোগ দেবে, তবে পুলিশের ধারণা অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা ১০ হাজারে দাঁড়াতে পারে। সমাবেশের এলাকায় ১৪০০ পুলিশ কর্মকর্তা মোতায়েন করা হয়।
ইসরায়েলি বাহিনী গাজার বৃহত্তম শহর ঘেরাও করে হামাসকে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করেছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় গাজায় ৯,২০০ এরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। তাদের অধিকাংশ নারী ও শিশু।
ফিলিস্তিনি জনগণের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। ঐক্য পরিষদে শীর্ষ নেতারা ঢাকায় নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস ওয়াই রামাদানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।এ সময় তারা ফিলিস্তিনের জনগণের প্রতি সংহতি জানান।
রোববার (৫ নভেম্বর) ঢাকার ফিলিস্তিন দূতাবাস এ তথ্য জানায়।
দূতাবাসটি জানায়, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের একটি প্রতিনিধি দল ফিলিস্তিনের জনগণের বিরুদ্ধে নৃশংস ইহুদিবাদী আগ্রাসনের নিন্দা জানিয়ে ও ফিলিস্তিনি জনগণের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করতে ফিলিস্তিন দূতাবাস পরিদর্শন করেছে। ঐক্য পরিষদ ২০ মিলিয়নেরও বেশি লোকের প্রতিনিধিত্ব করে।
