আজ আমি এমন এক সঙ্ঘাতের বিষয়ে লেখার জন্য হাতে কলম নিয়েছি, যা বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত সঙ্ঘাত। যেটা প্রায় এক শতাব্দীর সঙ্ঘাত, আকিদা ও বিশ্বাসকেন্দ্রিক সঙ্ঘাত। সবাই নিজ নিজ বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে লড়াই করছে। যেখানে একদল জালিম, অন্য দল মজলুম।
আমি ফিলিস্তিন ও ইসরাইলের ইস্যু নিয়ে লিখছি। ১৯৪৮ সালে জায়নবাদরা ব্রিটেনের সহযোগিতায় ফিলিস্তিনের কিছু অংশ অবৈধভাবে দখল করে নেয়। আজ পর্যন্ত তাদের এই অবৈধ সম্প্রসারণ বিদ্যমান। ইসরাইল বাহিনী মুসলমানদের বাড়িঘর জমিন ধসিয়ে দিচ্ছে, অগ্নিসংযোগ ও ব্যাপক লুটতরাজ করছে, মা-বোনদের সম্ভ্রম নষ্ট করছে, হাজার হাজার নারী ও শিশু হত্যা করছে, গাজার আকাশে বাতাসে তাদের আর্তনাদের আওয়াজ ভাসছে, মায়ের সামনে তার কলিজার টুকরা সন্তানকে হত্যা করছে, স্ত্রীকে বিধবা করছে, এক কথায় তাদের ওপর জুলুমের স্টিমরোলার চালাচ্ছে। গাজার আসমান-জমিন, পাহাড়-পর্বত, গাছপালা যার প্রত্যক্ষ সাক্ষী।
গাজাবাসীর ওপর জুলুমের স্টিমরোলার চালানোর কারণ একটাই- তারা মুসলমান, তারা আল্লাহ ও তাঁর নবী-রাসূলদের প্রতি ঈমান এনেছে, আসমানি কিতাবে বিশ্বাসী, আল্লাহর ঘর মসজিদুল আকসাকে ভালোবাসে। ইহুদিরা এমন এক নিকৃষ্ট জাতি, যারা শুধু মুসলমানদেরকে নয় বরং শত শত নবী-রাসূলগণকেও হত্যা করেছে এবং তারা ফিলিস্তিনের এই ভূমিতেই নবীদেরকে হত্যা করেছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘অতঃপর (তাদেরকে লানত করেছিলাম) তাদের কর্তৃক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, আল্লাহর আয়াতসমূহ অস্বীকার, নবীগণকে অন্যায়ভাবে হত্যা এবং আমাদের অন্তরের ওপর পর্দা লাগানো রয়েছে তাদের এই উক্তির কারণে। অথচ বাস্তবতা হলো তাদের কুফরের কারণে আল্লাহ তাদের অন্তরে মহর মেরে দিয়েছেন। এ জন্যই তারা অল্প কিছু বিষয় ছাড়া ঈমান আনে না (সূরা আন নিসা : ১৫৫)। বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত
এই আয়াতে আল্লাহ তায়ালা ইহুদিদের কিছু অপরাধের বর্ণনা দিয়েছেন। এক. প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা। দুই. আল্লাহর আয়াতসমূহ অস্বীকার করা। তিন. নবীগণকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা।
