গাজা উপত্যকার জাবালিয়ায় সর্বশেষ হামলায় ১৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। গাজার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, বুধবার ইসরায়েলি বিমান হামলাটি উত্তর গাজার শরণার্থী শিবিরের মাঝখানে আল-ইয়েমেন আল-সাইদ হাসপাতালের কাছে একটি বসতিঘর লক্ষ্য করে হয়েছে।
এছাড়াও জাবালিয়ায় পৃথক হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
মন্ত্রণালয় আরো জানিয়েছে, শরণার্থী শিবিরের কেন্দ্রস্থলে খলিল পরিবারের একটি বাড়িতেও হামলা হয়েছে।
এদিকে গাজা যুদ্ধের মাধ্যমে ফিলিস্তিনের সমীকরণ বদলানোর অঙ্গিকার ব্যক্ত করেছে ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। ১৯ ফিলিস্তিনি নিহত
মার্কিন গণমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে এমনই মন্তব্য করেছেন হামাসের পলিটব্যুরোর সদস্য খলিল আল-হাইয়া।
হাইয়া বলেন, ‘আমরা গত ৭ অক্টোবর ইসরাইলের অভ্যন্তরে হামলা চালিয়েছি। এর পেছনে আমাদের উদ্দেশ্য ছিল ফিলিস্তিনের সমগ্র সমীকরণ পরিবর্তন করা। ফিলিস্তিন ইস্যু থেকে সবার দৃষ্টি ফিরে গেছে। নতুনভাবে বিষয়টি দৃষ্টিতে আনাও আমাদের উদ্দেশ্য ছিল।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা জানি যে সমীকরণ পরিবর্তনের জন্য আমাদের দুঃসাহসিক কোনো অভিযানে নামতে হবে। এও জানা ছিল যে এর প্রতিক্রিয়া বড় হবে। তবুও এই হামলা চালিয়েছি। যেন বিশ্ব জানে যে ফিলিস্তিনি ইস্যু এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে।
তিনি আরো বলেন, আমরা গাজা নিয়ন্ত্রণে রাখা বা সেখানে পানি ও বিদ্যুৎ আমদানির জন্য এই যুদ্ধ শুরু করিনি। আমরা সমীকরণ বদলাতে এই যুদ্ধ শুরু করেছি।
প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়, আল-হাইয়া ও অন্য হামাস নেতাদের বক্তব্যে এ কথা প্রতীয়মান হয় যে তারা গাজা শাসন করার চিন্তা করে না। তারা অবিরাম সঙ্ঘাতেই আস্থা রাখতে চায়।
হামাসের মিডিয়া সেলের সদস্য তাহের এল নৌনু বলেন, ‘আমি আশা করি যে ইসরাইলের সাথে আমাদের যুদ্ধ একটি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছবে। আর এ সময় আরব বিশ্ব আমাদের পাশেই থাকবে।
