চলমান বিশ্বকাপের প্রথম পর্ব শেষ হয়েছে। এখনো পর্যন্ত হাই স্কোরিং ম্যাচই বেশি হয়েছে বিশ্বকাপে। তবে ব্যাটারদের দাপটের মাঝেও প্রথম পর্বে অসাধারণ পারফরম্যান্স করে নজর কেড়েছে বোলাররা।
বিশ্বকাপে বল হাতে দাপট দেখিয়েছেন মূলত পেস বোলাররা। সর্বোচ্চ উইকেট শিকার করে তালিকায় সেরা পাঁচ বোলারের মধ্যে ৪ জনই পেসার। যদিও লিগ পর্ব শেষে উইকেট শিকারের দিক থেকে শীর্ষস্থান দখলে রেখেছেন একজনই স্পিনারই। এবারের আসরে ২২ উইকেট শিকার করে শীর্ষে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার লেগ স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা। উইকেটপ্রতি খরচ করেছেন ১৯ রানের কিছু কম।
তালিকার পরের ৪ জনই পেসার। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে শ্রীলঙ্কার দিলশান মাদুশাঙ্কা। নিয়েছেন ২১ উইকেট। দল বাজে পারফর্ম্যান্স করলেও মাদুশাঙ্কা ছিলেন উজ্জ্বল। বল হাতে বেশ ভুগিয়েছেন প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের। উইকেটপ্রতি ২৫ রান দিয়ে কিছুটা খরুচে বোলিং করলেও শ্রীলঙ্কার প্রত্যাশা পূরণে অনেকটা একাই কাজ করে গিয়েছেন এই পেসার। বিশ্বকাপের প্রথম পর্ব শেষ
দক্ষিণ আফ্রিকার গেরাল্ড কোয়ের্টজে আছেন তালিকার তিনে। ১৯.৩৮ গড়ে উইকেট নিয়েছেন ১৮টি। প্রথমবার বিশ্বকাপ ফাইনালের স্বপ্ন দেখতে তার উপর বেশ নির্ভর করতেই হবে দক্ষিণ আফ্রিকাকে। পাকিস্তানের শাহিন আফ্রিদি আছেন চারে। কোয়েটজের মতোই ১৮ উইকেট পেয়েছেন তিনিও। তবে, গড় অনেক বেশি থাকায় চারে থাকতে হচ্ছে তাকে। পরের দুই স্থানে আছেন মার্কো জানসেন এবং জাসপ্রিত বুমরাহ। তাদের দুজনের উইকেট সমান ১৭টি।
বিশ্বকাপ শুরুর আগে গতকাল সাপ্তাহিক র্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)। তাতে বরাবরের মতো ওয়ানডেতে অলরাউন্ডারের র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে অবস্থান করছেন সাকিব। বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডারের রেটিং পয়েন্ট ৩৪৯। ২০১১ তে মিরপুরে ওয়ানডে বিশ্বকাপ শুরুর ম্যাচেও অলরাউন্ডারদের র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে ছিলেন বাংলাদেশের এই অধিনায়ক।
এদিকে ঘোষিত তালিকায় বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে যৌথভাবে শীর্ষে আছেন মোহাম্মদ সিরাজ ও জস হ্যাজলউড। তাদের দুজনেরই রেটিং ৬৬৯। এছাড়া ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে বরাবরের মতো তিন, চার ও পাঁচ নম্বরে রয়েছেন মুজিব-উর-রহমান, রশিদ খান ও ট্রেন্ট বোল্ট।
