গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি হামলা শুরুর পর বুধবার প্রথমবারের মতো সেখানে একটি জ্বালাটি ট্রাক প্রবেশ করেছে। ইসরাইলি ডিফেন্স ফোর্সের অনুমোদনে প্রায় ২০ হাজার লিটার ডিজেনবাহী ট্রাকটি মিসর থেকে গাজায় প্রবেশ করে। গাজায় তীব্র জ্বালানি সঙ্কট চলছে।
জাতিসঙ্ঘ ত্রাণ সংস্থা ইউএনডব্লিউআরএ সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছে, এই জ্বালানি কেবল জাতিসঙ্ঘ ব্যবহার করবে, হাসপাতালে ব্যবহার করা যাবে না। উল্লেখ্য, জ্বালানির অভাবে গাজার হাসপাতালগুলো বন্ধ হয়ে গেছে, ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টগুলো অকার্যকর হয়ে পড়েছে, আবর্জনা অবসারণ করা যচ্ছে না, এমনকি যোগাযোগ ব্যবস্থাও ভেঙে পড়েছে।
ইউএনডব্লিউআরএ গাজায় মানবিক সহায়তার কাজ করে থাকে।
ইউএনডব্লিউআরএর যোগাযোগবিষয়ক নির্বাহী পরিচালক তামারা আল রিফাই জানিয়েছে, গাজার প্রতিদিন ৫০০ ট্রাকভর্তি সাহায্যসামগ্রী, জ্বালানি এবং অন্যান্য সামগ্রীর প্রয়োজন। কিন্তু এখন তারা প্রতিদিন পাচ্ছে মাত্র ৩০ ট্রাকের মতো। এই পরিমাণ সহায়তা একেবারেই নগণ্য।
জাতিসঙ্ঘ সাহায্য সংস্থা জানিয়েছে, আরো দুটি জ্বালানিভর্তি ট্রাক রাফা ক্রসিংয়ে অপেক্ষা করছে। তবে এগুলো কখন গাজায় প্রবেশের অনুমতি পাবে, তা নিশ্চিত নয়। জ্বালাটি ট্রাক প্রবেশ
উল্লেখ্য, গাজায় কোনো কিছু প্রবেশ করতে হলে ইসরাইলি বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। ফলে অনেক সময় ব্যয় হয়।
ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পর অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় প্রবেশ করেছে জ্বালানিবাহী প্রথম ট্রাক। আজ বুধবার ট্রাকটি মিসরের সীমান্ত দিয়ে গাজায় প্রবেশ করে বলে জানিয়েছেন মিসরের দুই নিরাপত্তাকর্মী।
ইসরায়েল গাজায় ২৪ হাজার লিটার (৬৩৪০ গ্যালন) পর্যন্ত ডিজেল সরবরাহের অনুমতি দিয়েছে। এরপরই জ্বালানি সরবরাহ সম্ভব হলো। মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, এ জ্বালানি শুধু জাতিসংঘের ত্রাণ বিতরণের ট্রাকেই ব্যবহার করা যাবে, গাজার হাসপাতালে ব্যবহার করা যাবে না।
