ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু

গাজায় হামাসের হাতে জিম্মিদের মুক্তির ব্যবস্থা করতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু নেতৃত্বাধীন সরকারের ওপর চাপ বাড়ছে। জিম্মিদের মুক্তির দাবিতে শনিবার ইসরায়েলের হাজার হাজার মানুষ জেরুজালেমে পদযাত্রা করেছেন। পাঁচদিন আগে শুরু করা জিম্মিদের স্বজন ও তাদের সমর্থকদের এই পদযাত্রা শনিবার জেরুজালেমে পৌঁছেছে। সেখানে জিম্মিদের মুক্তির ব্যবস্থা করতে নেতানিয়াহু সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলেছেন তারা।

জেরুজালেম বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নোয়াম অ্যালন নামের এক যুবক বলেন, তেল আবিব-জেরুজালেম মহাসড়কে বিক্ষোভে যোগ দেওয়া মানুষের সংখ্যা প্রায় ২০ হাজার। জিম্মিদের ফিরিয়ে আনার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে ইসরায়েলি সরকারের ওপর চাপ তৈরির লক্ষ্যে এই বিক্ষোভ করছেন তারা। গত ৭৮ অক্টোবর হামাসের যোদ্ধারা ইসরায়েলে ঢুকে যে ২৪০ জনের বেশি মানুষকে ধরে নিয়ে জিম্মি করেছেন, তাদের মধ্যে নোয়ামের প্রেমিকাও রয়েছেন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু

এই যুবক বলেন, আমরা আশা করছি তারা আমাদের সাথে দেখা করবে। আমরা আশা করছি, কীভাবে জিম্মিদের কীভাবে ফিরিয়ে আনা হবে, সেই বিষয়ে তারা আমাদের জানাবেন। তিনি বলেন, আমরা আর অপেক্ষা করতে পারছি না। আমরা যেকোনো মূল্যে জিম্মিদের ফিরিয়ে আনার দাবি জানাই। তাদের এই মুহূর্তে উদ্ধারের দাবি জানাচ্ছি।

জিম্মিদের স্বজন ও বন্ধুদের অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, অবরুদ্ধ গাজায় হামাসকে ধ্বংস করতে ইসরায়েল হামলা চালানোর যে পরিকল্পনা করেছে, তাতে জিম্মিরাও ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তবে ইসরায়েলের সরকার বলছে, গাজায় চলমান স্থল হামলা জিম্মিদের উদ্ধারের সম্ভাবনা আরও বাড়িয়ে তুলবে। সম্ভাব্য বন্দি বিনিময়ের মাধ্যমে জিম্মিদের মুক্ত করার পথ তৈরি হবে।

কিন্তু হামাসের হামলায় ইসরায়েলের সরকার অন্ধ হয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেকে। জেরুজালেমে অভিমুখে শুরু করা পদযাত্রায় যোগ দিয়েছেন ইসরায়েলের মধ্যপন্থী বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ। হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অন্যতম সমর্থক হলেও তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর পদত্যাগের দাবি তুলেছেন।

আল-শিফা হাসপাতালকে ডেথ জোন আখ্যা ডব্লিউএইচওর

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments