নিরীহ মানুষকে হত্যা

গাজায় প্রায় দেড় মাস ধরে বর্বর হামলা চালিয়ে ১২ হাজার নিরীহ মানুষকে হত্যা আর গোটা গাজাকে ধ্বংস্তূপে পরিণত করেছে ইসরায়েল। কিন্তু হামাস নির্মূলে ইসরায়েলের সামরিক কৌশল আসলে কাজে আসছে কিনা, এখন সেই প্রশ্ন সামনে আসছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, গাজার স্থল নিয়ন্ত্রণে অগ্রগতি হলেও হামাসকে পরাজিত করতে পারেনি ইসরায়েলি বাহিনী। এ ছাড়া, জিম্মিদেরও মুক্ত করতে পারেনি তারা। উল্টো বিপুল সংখ্যক বেসামরিক ফিলিস্তিনি হতাহতের কারণে উল্টো নজিরবিহীন আন্তর্জাতিক নিন্দা ও চাপে পড়েছে ইসরায়েল। এমন বাস্তবতায়  শিগগির পাঁচ দিনের যুদ্ধবিরতিতে  ইহুদিবাদী দেশটি সম্মত হতে পারে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও কাতার। খবর নিউইয়র্ক টাইমসের। 

ইসরায়েলি বাহিনী সবশেষ অভিযানের কেন্দ্রস্থল বানিয়েছে গাজার সবচেয়ে বড় আল শিফা হাসপাতালকে। আল শিফা ঘিরে রাখলেও ইসরায়েলি বাহিনী এখনও হাসপাতালটির অধীনে বড় টানেল নেটওয়ার্ক এবং কমান্ড সেন্টার থাকার প্রমাণ দিতে পারেনি।  নিরীহ মানুষকে হত্যা

অবশ্য গত শুক্রবার ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তারা দাবি করেন, হাসপাতালে একটি ছোট টানেল পাওয়া গেছে। একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, টানেলে মানুষের যাতায়াতের জন্য যথেষ্ট জায়গা আছে। এটি অন্তত ৫০ ফুট বা তার বেশি দৈর্ঘ্যের। এর শেষ প্রান্তে একটি দরজা রয়েছে, যা মূলত বিস্ফোরক প্রতিরোধে সক্ষম।  এসব দাবি করলেও ইসরায়েলি কৌশল আসলে কাজ করছে কিনা, এখন পর্যন্ত এটা পরিষ্কার নয়।  

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর প্রধান মুখপাত্র রিয়ার অ্যাড. ড্যানিয়েল হাগারি গত শুক্রবার বলেছেন, হামাস এখন দক্ষিণে রয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট গত সোমবার বলেন, ইসরায়েল সুড়ঙ্গের বিরুদ্ধে অভিযান ত্বরান্বিত করেছে। হামাস উত্তরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাজার দক্ষিণে পালিয়ে যাচ্ছে।

ভারত গাজার বাসিন্দাদের ত্রাণ পাঠাল 

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments