লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয় কোনো রূপকথার চেয়ে কম নয়। তবে সেই রূপকথার রেশ যেন কাটছেই না। মেসি অ্যান্ড কোংয়ের, ছাব্বিশের বিশ্বকাপের কোয়ালিফায়ার্স খেলার মাঝেই, চলে এল গত বিশ্বকাপ নিয়ে চমকে দেয়া আপডেট।
মেসির বিশ্বকাপে খেলা হাফ ডজন জার্সি নিলামে ওঠছে। মনে করা হচ্ছে কম করে এই জার্সিগুলো ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে বিক্রি হবে। হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন। এই জার্সিগুলির মধ্যে রয়েছে, গ্রুপ পর্যায় ও রাউন্ড অফ সিক্সটিনে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে খেলা জার্সি, নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনাল ও ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে সেমি-ফাইনালে খেলা জার্সি। অবশ্যই ফ্রান্সের বিরুদ্ধে শিরোপা নির্ধারণকারী ফাইনাল ম্যাচের প্রথমার্ধের জার্সি।
এখন পর্যন্ত ক্রীড়া স্মারক হিসেবে, নিলামে সবচেয়ে বেশি দাম পাওয়া জার্সিটি মাইকেল জর্ডনের শিকাগো বুলসের জার্সি। কিংবদন্তি বাস্কেটবল খেলোয়াড় ১৯৯৮ সালে এই জার্সি পরে এনবিএ ফাইনাল খেলেছিলেন। যা গতবছর সেপ্টেম্বরে নিলামে উঠেছিল। দাম পেয়েছিল ৮.১ মিলিয়ন পাউন্ড। নিউ ইয়র্কের বিশ্ববন্দিত অকশান হাউজ সদাবি’স এই জার্সি নিলামে তুলেছিল। লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার
এবার যদি সঙ্গীত স্মারকের কথা বলা হয়, তাহলে কার্ট কোবেনের নাম উঠে আসবে। ১৯৯৩ সালে রক ব্যান্ড নির্ভানার প্রতিষ্ঠাতা ও গিটার নক্ষত্র এমটিভি আনপ্লাগডে যে গিটার বাজিয়ে ছিলেন, সেই গিটার নিলামে দাম পেয়েছিল ৩৫ কোটি টাকার উপরেই। কার্ট কোবেন মৃত্য়ুর পাঁচ মাস আগে সেই অনুষ্ঠান করেছিলেন। মনে করা হচ্ছে মেসির জার্সি সব রেকর্ডই ভেঙে দেবে। এমনই মনে করছে সদাবি’স। ডিসেম্বরে মেসির জার্সিগুলো নিলামে উঠবে।
কাতারে বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগে, একটা কথা বারবার সকলে বলছিলেন, মেসির হাতে কাপ না উঠলে সম্ভবত ‘পোয়েটিক জাস্টিস’ হবে না। আর ফুটবল বিধাতা সেটাই করেছিলেন। মেসির মাথায় রাজমুকুট পরিয়ে দিয়েগো ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনাকে ৩৬ বছর পর বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করেছিলেন। লুসেল স্টেডিয়ামে মহাকাব্যিক ফাইনালের ফয়সলা হয়েছে পেনাল্টি শ্যুটআউটে। সেখানে আর্জেন্টিনা ৪-২ গোলে গতবারের চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে হারিয়ে শেষ হাসি হাসে।
