উত্তাপ ছড়ানো ম্যাচে প্রথমার্ধ ছিল গোলশুন্য। দ্বিতীয়ার্ধে শুরুটা ছিল ব্রাজিলেরই । একাধিকবার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে স্বাগতিকরা। তবে ঘরের মাঠে দর্শকদের আনন্দ দেওয়া হয়নি সেলেসাওদের।
খেলার ধারার বিপরীতেই ম্যাচের প্রথম গোল করে বসে আর্জেন্টিনা। ৬৩ মিনিটে জিওভানি লো সেলসোর কর্নার থেকে লাফিয়ে হেড করেন নিকোলাস ওতামেন্ডি। বল ঠেকাতে ব্যর্থ অ্যালিসন।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুটা দুর্দান্ত ছিল ব্রাজিলেরই। এমারসন রয়্যালের ক্রস আর্জেন্টিনার রক্ষণে কাঁপন ধরিয়েছিল বটে। তবে গ্যাব্রিয়েল জেসুস ছিলেন অনেকটা দূরে। বিপদটাও তাই আর বাড়েনি। যদিও খানিক পরেই আবার ফিরে আসে ব্রাজিল। এবার হুমকির নাম গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলি। গ্যাব্রিয়েল জেসুস একাই গিয়েছিলেন বক্সে। জটলার মাঝ থেকে বল পেয়ে যান মার্টিনেলি। তবে দুর্বল শটে আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমি মার্টিনেজকে পরাস্ত করা হয়নি তার।
বরং খেলার ধারার বিপরীতে ৬৩ মিনিটে প্রথম গোল পায় আর্জেন্টিনা। নাহুয়েল মলিনার ক্রস ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার রয়্যালের পায়ে লেগে চলে যায় গোললাইনের বাইরে। এরপরই কর্নার থেকে লিড নেয় সফরকারী দলটি।
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচ খেলতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দল ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা আজ মাঠে নেমেছিল। তবে খেলা শুরুর আগেই গ্যালারিতে দুই দলের সমর্থকদের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে দাঙ্গা। ঐতিহাসিক মারাকানার গ্যালারি হল উত্তপ্ত। যার কারনে নির্ধারিত সময়ে শুরু হল না ম্যাচ। ম্যাচ দেরিতে শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত ওতামেন্ডির গোলে স্বাগতিকদের হারিয়ে ১-০ গোলের জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। দ্বিতীয়ার্ধে শুরুটা ছিল ব্রাজিলেরই
২২ নভেম্বর বাংলাদেশ সময় ভোর সাড়ে ৬টায় খেলার শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ম্যাচটি শুরু হয় সকাল ৭টায়। ২০২১ সালে কাতার বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে এ মারাকানা স্টেডিয়ামে দুদলের ম্যাচ বাতিল হয়েছিলো।
বিশ্বকাপ বাছাইয়ে নিজেদের সবশেষ ম্যাচে হেরেছে ব্রাজিল-আর্জেন্টনা উভয় দলই। ফলে দুই দলের জন্যই আজ ছিল জয়ে ফেরার তাড়া। এমন লক্ষ্য নিয়েই আজ ঘরের মাঠ মারাকানা স্টেডিয়ামে আলবিসেলেস্তেদের বিপক্ষে মাঠে নামে সেলেসাওরা। ম্যাচ শুরু হওয়ার সব আনুষ্ঠানিকতা শেষেই শুরু হয় প্রথম ঝামেলা।
ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ হবার আগে গোল করার একাধিক সুযোগ এসেছিল ব্রাজিলের সামনে। তবে মার্কিনিয়োস, রগ্রিগোরা সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন। কোনো দলই লক্ষ্যভেদ করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত গোল শূন্য ড্র নিয়েই বিরতিতে যায় দুই দল।
