হামাস ও ইসরায়েল সরকার চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এরই অংশ হিসেবে মেয়াদ আরও দুই দিন বাড়ানো হয়েছে। হামাস ও কাতার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সোমবার ছিল চার দিনের অস্ত্রবিরতির শেষ দিন। তবে এর মেয়াদ বাড়াতে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে। প্রাথমিকভাবে যুধ্যমান দুপক্ষের পাশাপাশি কাতার, মিসর ও যুক্তরাষ্ট্র এ ব্যাপারে একমত হয়েছে।
নিজেদের শর্ত পূরণ সাপেক্ষে হামাস ও ইসরায়েলও গাজায় মানবিক বিরতির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। যত দিন জিম্মি মুক্তি অব্যাহত থাকবে, ততদিন এর মেয়াদ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
হামাস বলেছে, তারাও অস্থায়ী এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে চায়, যদি ইসরায়েল আরও ফিলিস্তিনি কারাবন্দিদের মুক্তি দিতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করে। হামাস ও ইসরায়েল সরকার
কাতার ও মিসরের মধ্যস্থতায় হামাস-ইসরায়েল সংঘাত শুরুর ৪৮ দিন পর গত শুক্রবার থেকে অস্ত্রবিরতি শুরু হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির এই চার দিনে হামাস ৫০ জন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেবে; বিনিময়ে ইসরায়েল তাদের কারাগারে বন্দি ১৫০ জন ফিলিস্তিনিকে ছেড়ে দেবে এবং গাজায় ত্রাণবাহী ২০০ ট্রাকের পাশাপাশি ১ লাখ ৪০ হাজার লিটার জ্বালানি ও গ্যাসভর্তি অন্তত চারটি লরি প্রবেশের অনুমোদন দেবে।
তবে গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য আন্তর্জাতিক চাপ বেড়েই চলেছে। ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে বর্তমান সংঘাত সমাধানের উপায় খুঁজে বের করার চেষ্টায় নতুন গতি আনার জন্যও এই চাপ তৈরি হচ্ছে।
