বারবার জীবন পেয়ে বাংলাদেশের পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন উইলিয়ামসন। শেষ পর্যন্ত সেঞ্চুরি পেরোতেই সেই কাঁটা সরান তাইজুল ইসলাম।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গতকাল দিনের দ্বিতীয় নতুন বল নিয়েই ঝলক দেখান বাংলাদেশি এই স্পিনার। তাঁর চমৎকার এক ডেলিভারিতে বোল্ড হন উইলিয়ামসন। তার আগে অবশ্য সপ্তম ব্যাটার হিসেবে ক্যারিয়ারের ২৯তম সেঞ্চুরিটা উদযাপন করে নেন।
তবে কেনের বিদায়ে বাংলাদেশের লিডের আলোটা জ্বলে ওঠে। এর পর আরও চাপে পড়ে নিউজিল্যান্ড। সব মিলিয়ে শেষ সেশনে স্বাগতিকদের দারুণ বোলিংয়ে দুই উইকেট বাকি রেখে ৪৪ রানে পিছিয়ে থাকল নিউজিল্যান্ড। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৩১০ রানের পিছু নিয়ে অতিথি দল ৮ উইকেটে ২৬৬। আজ তৃতীয় দিন সকালে দ্রুত এ দুই উইকেট তুলে নিয়ে লিড পেতে চাচ্ছে বাংলাদেশ।
এদিকে দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে আসেন বাংলাদেশের স্পিন বোলিং কোচ হেরাথ। ৩০ নভেম্বর, আজই তাঁর সঙ্গে বিসিবির চুক্তি শেষ। সিলেট থেকেই তাই দেশে ফিরে যাবেন তিনি। বিদায় বেলায় রেখে যাওয়া তাইজুল, মিরাজ আর নাঈমদের নিয়ে নিশ্চয়ই গর্বিত তিনি। বাংলাদেশের পথের কাঁটা
কেননা, এদিন নিউজিল্যান্ডের আট উইকেটই শিকার করেছেন স্পিনাররা। এমনকি মুমিনুলও ফিলিপসের উইকেট শিকার করেছেন। চার উইকেট দখল করেছেন তাইজুল। সাকিব খেললে তাইজুলের ভূমিকা এক রকম, না খেললে অন্যরকম– টেস্টে এ রকম ঘটনাই কি ঘটে– এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সাকিব খেলুক আর না-ই খেলুক, তাইজুল আমাদের জন্য বড় ভূমিকা পালন করে। সে আক্রমণাত্মক ও রক্ষণাত্মক দুটি ভূমিকাই পালন করে থাকে। সে সব সময়ই তার লাইন ও লেন্থের ওপর নির্ভর করে।
তাইজুলের সাফল্য পাওয়ার কথা বলতে গিয়ে হেরাথের মুখে ফোটে হাসি। লঙ্কান এই বাঁহাতি স্পিনারের ভাষ্য, ‘তাইজুল সব সময়ই বোলিং আক্রমণকে সাহায্য করে। সে আমাদের মূল স্পিনার। সে নিউজিল্যান্ডের ওপর অনেক চাপ প্রয়োগ করেছে। সে অনেক অ্যাঙ্গেল তৈরি করেছে। তার দারুণ অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও বোঝার ক্ষমতা আছে। আমি খুব খুশি, সে আজ চার উইকেট নিয়েছে।
