বিসিবির পুরোনো অফিস নাভানা টাওয়ারে নিয়ম করে সাক্ষাৎকার নিচ্ছে বিশ্বকাপের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন কমিটি। বিশ্বকাপ দল-সংশ্লিষ্টদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে পর্যায়ক্রমে।
এনায়েত হোসেন সিরাজের কমিটি বিশ্বকাপে খারাপ পারফরম্যান্সের কারণ অনুসন্ধানের চেয়েও বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে প্রধান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ ইস্যুতে। বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনার সত্য-মিথ্যা জানতে চাওয়া হচ্ছে সাক্ষাৎকার দাতাদের কাছে।
অভিযোগ উঠেছে, যে কোনো মূল্যে হাথুরুসিংহকে দোষী সাব্যস্ত করে চাকরি থেকে বরখাস্তের সুপারিশ করা হতে পারে। তবে এ দাবি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন মূল্যায়ন কমিটির এক সদস্য। তিনি মনে করেন, মূল্যায়ন কমিটির ইমেজ খারাপ করতে এ ধরনের কথা রটানো হচ্ছে। বিশ্বকাপের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন
বিশ্বকাপের আগে থেকেই হাথুরুসিংহের সঙ্গে কোচিং স্টাফের বিরোধ সামনে এসেছে। রাসেল ডমিঙ্গোকে বিদায় করে শ্রীলঙ্কান এ কোচ নিয়োগ দেওয়া মেনে নিতে পারেননি অ্যালান ডোনাল্ডরা। বিশ্বকাপের আগে থেকে প্রধান কোচের বিরুদ্ধে অসহযোগ আন্দোলনে নেমে পড়েন তারা। বিষয়টি জেনেও চুপ ছিলেন বিসিবি ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের কর্মকর্তারা। কারণ হাথুরুসিংহে ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের কর্তারও অপছন্দের পাত্র! তাই বিশ্বকাপের ব্যর্থতা ও নাসুমকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ইস্যুতে ইন্ধন জোগাচ্ছেন তিনি। কোচকে শায়েস্তা করতে দলের অন্দরমহলের খবর ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের একজন কর্তা সরবরাহ করেছেন বলে অভিযোগ।
কারণ হাথুরুসিংহে কোনো পক্ষকে পাত্তা না দিয়ে সরাসরি বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ক্রিকেটারদের ব্যাপারে যে কোনো সিদ্ধান্ত বোর্ড সভাপতির অনুমোদন সাপেক্ষে নিয়ে থাকেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগকে উপেক্ষা করেন। এ ছাড়া হাথুরুসিংহেকে তাড়াতে পারলে কোচিং স্টাফ নিয়োগ বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে গুঞ্জন রয়েছে খোদ ক্রিকেট বোর্ডের অন্দরমহলে। কোচিং স্টাফের মধ্যে বিভেদ জিইয়ে রাখার পেছনেও এই হীন উদ্দেশ্য কাজ করে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
