২০০৮ সালে কোক স্টুডিওর যাত্রা শুরু। তবে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশে আসে কোক স্টুডিও বাংলা। শুরু হওয়ার পর থেকেই বৈচিত্র্যময় ধারার প্রতিভাদের একত্রিত করে সৃজনশীল ও নতুন ধারার সঙ্গীত সৃষ্টির মাধ্যমে সঙ্গীত জগতে আলোড়ন তৈরি করে প্ল্যাটফর্মটি।
এ পর্যন্ত চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের গান প্ল্যাটফর্মটিতে পরিবেশিত হয়েছে। এতে অংশ নিয়েছেন প্রায় ১০০ জন শিল্পী, যার মধ্যে আছেন অনিমেষ রায়, হামিদা বানু, আলেয়া বেগম, মুকুল মজুমদার ঈশানসহ অনেক লুকিয়ে থাকা রত্ন। তাদের কারও ক্যারিয়ারই শুরু হয়েছে এখান থেকেই। দুই সিজনে এসেছে ২০টির বেশি গান। এসব গান ১৭২ দেশে ছড়িয়ে পড়েছে বলি দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ।
কোক স্টুডিও বাংলার ইউটিউব চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা ২৮.৬ লাখের অধিক। এটি বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিকম কোম্পানি ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসসহ শীর্ষস্থানীয় কিছু ব্র্যান্ডের সম্মিলিত সাবস্ক্রাইবার সংখ্যার চেয়ে বেশি। এতসব অর্জন হয়েছে চ্যানেলটির যাত্রা শুরুর মাত্র ২০ মাসের মাথায়, যা প্ল্যাটফর্মটির তুমুল জনপ্রিয়তার প্রমাণ। ২০০৮ সালে কোক
এছাড়া একমাত্র বাংলাদেশি এফএমসিজি ব্র্যান্ড হিসেবে কোক স্টুডিও বাংলা পেয়েছে ইউটিউবের সিলভার ও গোল্ড প্লে বাটন, এটি প্ল্যাটফর্মটির তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাবের আরও একটি নিদর্শন। কনজিউমার-প্যাকেজড গুড (সিপিজি) শিল্পের ইউটিউব চ্যানেলে গড় এনগেজমেন্ট রেট হলো ১০% এর কম, সেখানে ২০% এনগেজমেন্ট রেট নিয়ে সিএসবি অনেক এগিয়ে আছে। এ থেকে বোঝা যায় যে, প্ল্যাটফর্মটি শ্রোতাদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে সক্ষম। পৃথিবীর ১৫টির বেশি দেশ থেকে ৩৭০০-এর বেশি স্বতঃস্ফূর্ত রিভিউ ও রিয়্যাকশন কন্টেন্ট সিএসবির বৈশ্বিক জনপ্রিয়তারই প্রমাণ। এভাবে প্ল্যাটফর্মটি আন্তর্জাতিক সংগীতাঙ্গনে একটি দৃঢ় স্থান করে নিয়েছে।
