আচরণবিধি লঙ্ঘন করে নিষেধাজ্ঞা ভোগ করছেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। শেষ ম্যাচের ম্যাচ সেরা এই অলরাউন্ডারের অভাব শনিবার বেশ ভালোই টের পেয়েছে দল। আয়ারল্যান্ডের কাছে হেরে গেছে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে। হারারেতে স্বাগতিকদের হার ৪ উইকেটে।
বৃহস্পতিবার সিরিজের প্রথম ম্যাচে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হন সিকান্দার রাজা। ফলে নিয়মিত অধিনায়ককে ছাড়াই শনিবার ঘরের মাঠে নেমেছিল জিম্বাবুয়ে। তবে তাকে ছাড়া জয়ের মুখ দেখা হয়নি স্বাগতিকদের।
থম ম্যাচের মতো দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতেও খেলা হয়েছে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক। ফলাফল এসেছে শেষ ওভারে। যেখানে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের দেয়া ১৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২ বল হাতে রেখেই জিতেছে আয়ারল্যান্ড। এর ফলে জমে উঠলো লড়াই, তিন ম্যাচের সিরিজে এখন ১-১ সমতা। শেষ ম্যাচটা তাই রূপ নিল অঘোষিত ফাইনালে। জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক সিকান্দার
হারারেতে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। দলীয় ১৮ রানের মাথায় দুই ওপেনারকে হারায় তারা। তৃতীয় উইকেটে পাল্টা আক্রমণ করেন শন উইলিয়ামস এবং তিনাশে কামুনহুকামওয়ে। ১৮ বলে ৪৭ রানের জুটি গড়েন তারা। ৯ বলে ১৭ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলে আউট হন উইলিয়ামস।
২৭ বলে ৩৯ রান করে কামুনহুকামওয়ে আউট হন পরের ওভারেই। আর ১ রানের ব্যবধানে ফেরেন ব্রায়ান বেনেটকও। ৭৮ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে যখন শঙ্কায় জিম্বাবুয়ে, ষষ্ঠ উইকেটে তখন ৮৭ রানের জুটি গড়েন রায়ান বার্ল এবং ক্লাইভ মাদান্দে। তাতে দেড় শ’ পেরোয় জিম্বাবুয়ের ইনিংস। বার্ল ৩৩ বলে ৩৮ ও মাদান্দে অপরাজিত ছিলেন ৩৯ বলে ৪৪ রানে।
জবাব দিতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি আয়ারল্যান্ডের। ২০ রানের মাঝে জোড়া উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় সফরকারীরাও। দলীয় রান পঞ্চাশ পেরোতেই লরকান টাকারের উইকেটও হারিয়ে ফেলে তারা। তবে চাপ সামলে নেন হ্যারি টেক্টর এবং কার্টিস ক্যাম্ফার। চতুর্থ উইকেটে দুজন মিলে গড়েন ৪৪ বলে ৬৬ রানের দুর্দান্ত এক জুটি।
এই জুটিতে ১৪.৪ ওভারে ১২০ পর্যন্ত পৌঁছায় আইরিশরা। ২৪ বলে ৩৭ রানে ফেরেন ক্যাম্ফার, এক ওভার পর টেক্টরও ফেরেন ৩৮ বলে ৪৮ রানে। শেষ ওভারে যখন জয়ের জন্য প্রয়োজন ৭ রান, তখন ১৩ বলে ১৯ রান করা মার্ক অ্যাদির আউট হলেও বিপদ হয়নি, ২ বল বাকি থাকতে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে জয় নিশ্চিত করেন ডকরেল।
