ট্রেনে সবচেয়ে নিরাপদে ভ্রমণ

ট্রেনে সবচেয়ে নিরাপদে ভ্রমণ করা যায়। অনেক আরামদায়কও বটে। ধীরে ধীরে এই স্বস্তির যাত্রাই হয়ে উঠছে অস্বস্তির। বাড়ছে ঝুঁকি, মাঝে মধ্যেই ঘটছে দুর্ঘটনা। এভাবে শুধু পশ্চিমাঞ্চলেই তিন বছরে ২৮ দুর্ঘটনার সাক্ষী হয়েছে রেল। প্রাণ গেছে ২৫ জনের।

এসব ঘটেছে অরক্ষিত রেলগেট, দেখভাল করার লোকবল সংকট, বিভিন্ন স্থানে পাথর-স্বল্পতা, কাঠের স্লিপার পচে নষ্ট হয়ে যাওয়া, কংক্রিটের স্লিপার ভেঙে যাওয়া, কোথাও কোথাও নিচের মাটি সরে যাওয়া ছাড়াও এ অঞ্চলের কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনার কারণে। এতে রেল দুর্ঘটনা বাড়তে থাকলেও দেখার যেন কেউ নেই। মেরামত বা সংস্কারের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে না। ট্রেনে সবচেয়ে নিরাপদে ভ্রমণ

ঢাকার টাঙ্গাইল, গাজীপুর, ফরিদপুর, রাজবাড়ীসহ খুলনা, রাজশাহী ও রংপুর প্রশাসনিক বিভাগের পুরো এলাকা নিয়ে রেলের পশ্চিমাঞ্চল। বৃহত্তম এই রেল অঞ্চলের বিভিন্ন লাইন সম্প্রতি সরেজমিন ঘুরে এবং রেলওয়ের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে নানা সংকটের বিষয়ে জানা গেছে, দেখা গেছে অনেক জায়গার বেহাল চিত্র। মাইলের পর মাইল এলাকায় রেলপথে পর্যাপ্ত পাথর নেই, কাঠের স্লিপারগুলো পচে নষ্ট হয়েছে, ফিসপ্লেট কিংবা পিনও নেই কোথাও কোথাও। লাইন থেকে মাটি সরে গেছে, লাইনের মাঝে গজিয়ে উঠা ঘাসও কাটা হয় না দীর্ঘদিন।

দেশের সবচেয়ে বড় রেলওয়ে জংশন ঈশ্বরদী স্টেশনের যে রেললাইন দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৪০টি ট্রেন চলাচল করে, সেই লাইনের অবস্থাও নাজুক। চিলাহাটী থেকে খুলনা, রহনপুর-চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে গোয়ালন্দ ঘাট, সিরাজগঞ্জ থেকে টাঙ্গাইল, লালমনিরহাট ও বেনাপোল অঞ্চল পর্যন্ত পশ্চিমাঞ্চল রেলের মধ্যে লোকমানপুর থেকে সাবদারপুর, নওয়াপাড়া থেকে দৌলতপুর, লাহিড়ী মোহনপুর থেকে উল্লাপাড়া, সৈয়দপুর থেকে পার্বতীপুর, মাধনগর থেকে আহসানগঞ্জ, সৈয়দপুর ও পার্বতীপুর স্টেশনের মাঝামাঝি বন্ধ স্টেশন বেলায়চণ্ডীসহ বিভিন্ন এলাকায় চলার সময় ট্রেনে কর্মরত চালক, টিটিই, গার্ডসহ কর্মরতদের পাশাপাশি যাত্রীরাও আতঙ্কে থাকেন। এসব এলাকার রেললাইন দিয়ে ট্রেন যাওয়ার সময় প্রায়ই দুলতে থাকে।

শিক্ষকদের সঙ্গে আ.লীগ প্রার্থীর মতবিনিময়


0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments