বোলিংয়ে শুরুটা ভালোই করেছিল বাংলাদেশ। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধার হারিয়েছেন মুস্তাফিজ হাসানরা। অন্যদিকে খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন কিউই ব্যাটাররা। লাথাম-ইয়াংদের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহ গড়ে স্বাগতিকরা।
সেই লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। কখনোই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেনি সফরকারীরা। শেষ পর্যন্ত ডিএলএস মেথডে ৪৪ রানে হেরেছে টাইগাররা। এই জয়ে সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল নিউজিল্যান্ড।
আজ রবিবার ডানেডিনে টস হেরে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ডিএলএসে নির্ধারিত ৩০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৩৯ রান তুলেছিল নিউজিল্যান্ড। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৮৪ বলে ১০৫ রান করেছেন ইয়াং। বাংলাদেশের হয়ে ৬ ওভারে ২৮ রানে ২ উইকেট শিকার করে ইনিংসের সেরা বোলার শরিফুল ইসলাম। ডিএলএসে বাংলাদেশের জন্য লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয় ২৪৪ রানের। সেই লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৩০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২০০ রানের বেশি করতে পারেনি বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেছেন বিজয়। ধার হারিয়েছেন মুস্তাফিজ
বড় লক্ষ্য তাড়া করতে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ভালো শুরু। তবে শুরুটা মোটেও ভালো করতে পারেনি সফরকারীরা। ইনিংসের প্রথম ওভারেই সাজঘরে ফেরেন সৌম্য সরকার। দলে ফিরে আরো একবার ব্যর্থ হলেন তিনি। চতুর্থ বৈধ ডেলিভারিটি লেগ স্টাম্পের বাইরে খানিকটা খাটো লেংথে করেছিলেন অ্যাডাম মিলনে। আউট সুইং করে বের হয়ে যাওয়া বল ডিফেন্স করতে গিয়ে দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ দিয়েছেন সৌম্য। সাজঘরে ফেরার আগে ৪ বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি এই ওপেনার।
সৌম্যের পর দ্রুতই ফিরতে পারতেন এনামুল হক বিজয়ও। জ্যাকব ডাফির করা ইনিংসের চতুর্থ ওভারে ফাইন লেগে ক্যাচ দিয়েছিলেন বিজয়। তবে অনেকটা দৌড়ে গিয়ে সেটা হাতে জমাতে পারেননি উইকেটকিপার টম ব্লান্ডেল। ফলে ৮ রানে জীবন পান বিজয়।
তিনে নেমে সুবিধা করতে পারেননি নাজমুল হোসেন শান্ত। উইকেটে থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক। ইশ সোধিকে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হয়েছেন তিনি। তার আগে শান্তর ব্যাট থেকে এসেছে ১৩ বলে ১৫ রান।
