ফিলিস্তিনের হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার উত্তরাঞ্চলে জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে অন্তত ৯০ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে শতাধিক। আল জাজিরার লাইভ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গতকাল রোববারের এ বিমান হামলা আল-বারাশ এবং আলওয়ান পরিবারের এক আবাসিক ব্লকে চালানো হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও আছে। এ ছাড়া এখনো নিখোঁজ রয়েছে অনেকে। আশংকা করা হচ্ছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে অনেক লাশ আছে। তাদের উদ্ধারে স্থানীয়রা চেষ্টা চালাচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আহত অনেক নারী ও শিশুকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু হাসপাতালগুলো ইতিমধ্যেই রোগী দিয়ে পূর্ণ হয়ে আছে। জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে হামলা
তিনি ফোনে রয়টার্সকে বলেছেন, আমাদের ধারণা ধ্বংসস্তূপের নিচে নিহতের সংখ্যা অনেক। কিন্তু সেসব লাশ উদ্ধার করার মতো পরিস্থিতিও নাই ইসরায়েলি বাহিনী অবিরাম তীব্র বোমা বর্ষণের কারণে।
দুই মাসের বেশি সময় ধরে গাজায় চলা নির্বিচার হামলায় ১৯ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে। তাদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় ১৮ লাখ মানুষ। ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা থেকে বিদ্যালয়, হাসপাতাল, শরণার্থীশিবির-কিছুই বাদ যাচ্ছে না। এদিকে হামাসের হামলায় ১ হাজার ২০০ বেসামরিক ইসরায়েলি ও প্রায় ৫০০ সেনা নিহত হয়েছেন।
এর আগে,উত্তর গাজার জাবালিয়া রিফিউজি ক্যাম্পে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ১৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। ফিলিস্তিনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে আল-জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
টেলিগ্রামে একটি পোস্টে মন্ত্রণালয় বলেছে, ক্যাম্পের ঘরবাড়ি লক্ষ্য করে হামলা হয়েছে। হামলায় বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছেন
প্রায় দেড় বর্গকিলোমিটার আয়তনের এ ক্যাম্পে নিবন্ধিত ফিলিস্তিনি শরণার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ১৬ হাজার। গাজা উপত্যকার ৮টি শরণার্থী শিবিরের মধ্যে সবচেয়ে বড় এই ক্যাম্পে ২৫টি স্কুল আছে।
