গাজা উপত্যকার বৃহত্তম সুড়ঙ্গ আবিষ্কার করার দাবি করেছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী। তারা জানিয়েছে, গাজা সীমান্তের কাছে হামাসের এই সুড়ঙ্গটির সন্ধান তারা পেয়েছে।
ইসরাইলি কর্মকর্তারা জানিয়েছৈ, সুড়ঙ্গটি চার কিলোমিটারের (আড়াই মাইল) বেশি বিস্তৃত। এটি ইরেজ সীমান্ত ক্রসিং থেকে কয়েক শ’ মিটার ভেতরে অবস্থিত। হামাস গত ৭ অক্টোবর যেসব স্থান থেকে ইসরাইলের ভেতরে হামলা চালিয়েছিল, এটি ছিল তার একটি।
ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ড্যানিয়েল হ্যাগারি রোববার বলেন, ‘এই সুড়ঙ্গে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হযেছে। সুড়ঙ্গ আবিষ্কার করার দাবি
তিনি বলেন, এই সুড়ঙ্গ নির্মাণ করতে কয়েক বছর সময় লেগেছে। এটি দিয়ে গাড়ি চালানো যায়।
গাজা অভিযানে ইসরাইলের অন্যতম লক্ষ্য হলো, হামাসের ব্যবহার করা শত শত কিলোমিটার সুড়ঙ্গ ধ্বংস করা।
গাজায় নিজেদের বন্দীকে হত্যার পর যা বলছে ইসরাইলি গণমাধ্যম
গাজায় গত শুক্রবার ইসরাইলি বাহিনী ভুলবশত নিজেদের তিন বন্দীকে হত্যা করেছে। এতে প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রতি বিরক্ত হয়ে উঠেছে ইসরাইলি গণমাধ্যম। এ নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়ার পক্ষ থেকে নানা অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।
১৭ ডিসেম্বর কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে সেসব প্রতিক্রিয়া তুলে ধরা হয়েছে।
হিব্রু ভাষার প্রসিদ্ধ ইসরাইলি গণমাধ্যম মারিভের এক কলামিস্ট লিখেছেন, সত্য কথা হলো, যে ব্যক্তি এক সময় ইসরাইলি রাজনীতির জাদুকর ছিলেন, এখন তার মধ্যে আগের মতো বোধ নেই। নেই তেমন আকর্ষণ। তার যেন সব সময়ই বাইরের শত্রু প্রয়োজন। সব সময় জনগণকে একটি কল্পিত শত্রুর ভয় দেখাতে থাকে। আর তা থেকে পরিত্রাণের জন্য যুদ্ধ চালাতে থাকে।
উদারপন্থী গণমাধ্যম হারেৎজের সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, আইডিএফ শুরু থেকেই যুদ্ধক্ষেত্রে সামরিক ও বেসামরিক নাগরিকদের মাঝে কোনো পার্থক্য করছে না। তাই এবার ওসব হামলারই করুণ মূল্য পরিশোধ করতে হচ্ছে আমাদের বন্দীদের।
টাইমস অফ ইসরাইলের এক সাংবাদিক লিখেছেন, গত শুক্রবার যা ঘটেছে, এতে বন্দীদের পরিবারকে অতিরিক্ত চাপ বয়ে বেড়াতে হবে। এত দিন তো বন্দীদের মুক্তির জন্য চিন্তা তাদের চিন্তা করতে হতো। এখন এ চিন্তাও করতে হবে যে না জানি কোন আক্রমণে আবার বন্দীরাই নিহত হয়ে যায়।
উল্লেখ্য, ইসরাইলি গণমাধ্যম এখন গাজা যুদ্ধের কিছু সত্য প্রকাশ করতে শুরু করেছে। গত শুক্রবারের তিন বন্দী নিহতের আগ পর্যন্ত তারা কেবল সত্যকে লুকানোরই চেষ্টা করেছিল।
