ফিলিস্তিনি ন্যাশনাল ইনিশিয়েটিভ পার্টির প্রধান মোস্তফা বারঘৌতি বলেছেন, ইসরাইলের কাছ থেকে মুক্তি পাওয়া ফিলিস্তিনি বন্দীদের সাক্ষ্য থেকে জানা যায় যে- তারা নির্যাতনের শিকার হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বারঘৌতি এক বিবৃতিতে বলেছেন, আল-শিফা হাসপাতালের পরিচালকসহ এক হাজারেরও বেশি বন্দীকে নৃশংস নির্যাতন ও মারধর করা হয়েছে এর ফলে বেশ কয়েকজন বয়স্ক এবং অসুস্থ বন্দী নিহত হয়েছে।
বারঘৌতি বলেন, ইসরাইলি জিজ্ঞাসাবাদকারীরা বিদ্যুৎ, ওয়াটারবোর্ডিং, ঝুলন্ত স্ট্রেস পজিশন ও মানসিক চাপ দিয়ে নির্যাতন করে।
তিনি বলেন, এসব তথ্য বন্দীদের কাছ থেকে এসেছে যারা বলেছিল যে- তাদের বিয়ারশেবার একটি অস্থায়ী বন্দী শিবিরে রাখা হয়েছিল, যা বীর আস-সাব নামেও পরিচিত।
এদিকে, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে, গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি হামলায় কমপক্ষে ১৯ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যার মধ্যে ১১ হাজারেরও বেশি শিশু এবং নারী। আহত হয়েছে ২৮ হাজার ২০০ জনেরও বেশি। ফিলিস্তিনি ন্যাশনাল ইনিশিয়েটিভ
গত মাস থেকে অবরুদ্ধ ছিটমহলে ইসরাইলের অবিরত বিমান ও স্থল হামলায় হাসপাতাল, মসজিদ এবং গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।
ইসরাইলি সরকারি পরিসংখ্যান অনুসারে, ইতোমধ্যে ১ হাজার ২০০ ইসরাইলি নিহত হয়েছে।
উল্লেখ্য, গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস ইসরাইলের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করেছে বলে ঘোষণা করেছে। এর প্রতিরোধে পাল্টা হামলা শুরু করেছে ইসরাইল।
এক বিবৃতিতে হামাসের সামরিক শাখার প্রধান মোহাম্মদ দেইফ বলেন, শনিবার সকালে ইসরাইলে পাঁচ হাজার রকেট বর্ষণের মাধ্যমে ‘অপারেশন আল-আকসা স্ট্রম’ শুরু হয়েছে। ইসরাইল গাজা থেকে অনুপ্রবেশের কথা স্বীকার করেছে।
