বাংলাদেশকে শুরুতে আশা দেখিয়েছেন

ছোট পুঁজি নিয়েও বাংলাদেশকে শুরুতে আশা দেখিয়েছেন ডানহাতি অফস্পিনার শেখ মেহেদী। ফিন অ্যালেনের আক্রমণাত্মক শুরুর পর তিনিই সফরকারীদের জোড়া সাফল্য এনে দেন।

 এরপর গ্লেন ফিলিপসকে বোল্ড করে তার দলে যোগ দেন পেসার শরীফুল ইসলাম। স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড যখন চাপ সামলানোর চেষ্টায়, এরপরই রানআউটের দূর্ভাগ্য সঙ্গী হলো মার্ক চ্যাপম্যানের। ফলে ৮.৩ ওভারে ৪৯ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছে স্বাগতিকরা।

দুই ব্যাটসম্যানের সংঘর্ষে বলি হতে হলো চাপম্যানকে। মুস্তাফিজুর রহমানের বলে জোড়া রানের চেষ্টায় ছিলেন চাপম্যান ও অ্যালেন। কিন্তু ক্রিজের মাঝখানে দুজনের মুখোমুখি সংঘর্ষের পর তাদের গতি কমে যায়। চাপম্যান ক্রিজে পৌঁছার আগে আফিফ হোসেনের থ্রো করা বল ধরে উইকেট ভেঙে দেন মুস্তাফিজ।

এমন দূর্ভাগ্য ছাপিয়ে পরের ওভারে রিশাদ হোসেনের বলে ছয় হাঁকান ইনফর্ম ব্যাটার অ্যালেন। ওই ওভারে কিউইরা পায় ৯ রান। এরপর আক্রমণে এসে দ্বিতীয় দফায় সফল শরীফুল। ফিলিপসকে ১ রানে বোল্ড করা এই পেসার এবার অ্যালেনকেও ইনসুইংয়ে বোকা বানিয়েছেন। বোল্ড আউট হয়ে ফেরার আগে ৩১ বলে ৪টি চার ও দুই ছক্কায় ৩৮ রান করেন। বাংলাদেশকে শুরুতে আশা দেখিয়েছেন

এর আগে এই ম্যাচ দিয়ে একাদশে ফেরা তানভীর ইসলামকে শুরুতে আক্রমণে আনেন টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। প্রথম ওভারেই তার দুই বলে উড়িয়ে মারেন অ্যালেন। প্রথমটি অল্পের জন্য ছক্কা না হলেও, পরেরটি সীমানাদড়ি পেরিয়ে গেছে। ফলে প্রথম ওভারে আসে ১২ রান। এমন উড়ন্ত শুরুর পর টাইগারদের হালে পানি এনে দিয়েছেন আরেক স্পিনার শেখ মেহেদী। তার বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে আউট টিম সেইফার্ট।

ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান বেসামাল হয়ে ক্রিজের বাইরে বের হয়ে যান। সে সুযোগে তার উইকেট ভেঙে দেন রনি তালুকদার। পা ওপরে থাকা সেইফার্ট ১ রানেই স্টাম্পিং আউট। প্রথম ওভারে ৪ রানে মেহেদী নেন এক উইকেট। মাঝে এক ওভারে শরীফুল ইসলামের ওভারে দুটি চারের বাউন্ডারি পায় নিউজিল্যান্ড। ইনিংসে চতুর্থ ওভারে এসে আবারও সফল মেহেদী। তার ফুললেংথ ডেলিভারি তুলে মারার চেষ্টায় মিড অফে ধরা পড়েছেন ড্যারিল মিচেল।

এর আগে প্রথমে ব্যাট করা বাংলাদেশ স্যান্টনার-সোধির ঘূর্ণিতে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। নির্ধারিত ওভার শেষ হওয়ার চার বল আগেই সফরকারীরা ১১০ রানে অলআউট হয়ে যায়। উইকেট বিলিয়ে দেওয়ার প্রতিযোগিতায় ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ কেবল শান্ত’র ১৫ বলে ১৭ রান। এছাড়া তাওহীদ হৃদয় ১৮ বলে ১৬ এবং আফিফ হোসেন ১৩ বলে ১৪ রান করেন। এছাড়া বলার মতো রান পাননি কেউই।

সাকিব এখনো আমাদের অধিনায়ক

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments